বন্দরে লাঙ্গলবন্দ নগর এলাকায় মোহাম্মদ আলী মিয়ার ঝাল মুড়ির দোকানে শাটার বন্ধ করে স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের নেশা দ্রব্য খাওয়ার অভিযোগ করে অভিভাবকেরা।
বাচ্চারা স্কুলে আসা যাওয়ার পথে তাদেরকে বিনামূল্যে ঘুমের ওষুধ সহ বিভিন্ন প্রকার নেশা জাতীয় ট্যাবলেট জোরপূর্বক ফ্রিতে খাওয়ানোর অভিযোগ করে ওই এলাকার সচেতন অভিভাবক।
তারি ধারাবাহিকতায় গত ২০ জানুয়ারি সিজান নামে দশ বছরের বাচ্চাকে অতিরিক্ত নেশা দ্রব্য খাওয়ানোর ফলে শারীরিক অবস্থার আশংকা জনক হলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে সিজানের বাবা বাদি হয়ে বন্দর থানায় মোঃ আলীর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানার পুলিশ তদন্তর জন্য এসে মোঃ আলির দোকান বন্ধ পায়। তাকে বহু খোঁজাখুঁজির পর এলাকায় পাওয়া যায়নি তবে পুলিশ জানায় সে ঘা-ঢাকা দিয়েছে।
ঐ এলাকাবাসী এরকম নেককার জনক কর্মকাণ্ডে মোঃ আলীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তাকে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানায়। অন্যথায় তার কারণে ছোট ছোট কোমলমতি বাচ্চাদের জীবন ধ্বংস করে দিবে বলে তারা অভিযোগ করে।
এছাড়াও তারা জানায়, বড় কোন উপরমহলের হাত রয়েছে মোহাম্মদ আলীর সাথে,তাদের ছত্রছায়ায় যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্য এরকম নেককারার জনক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে।