সিদ্ধিরগঞ্জে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে আওয়ামী দোসর চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনের মালিক কাজী আব্দুস সাত্তার। অওয়ামী শাসনামলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়াামী লীগের সাাধারণ সম্পাদক ইয়াাছিন মিয়ার শেল্টারে সাইনবোর্ড এলাকায় ভূমিদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করছে বলে একাধিক অভিযোগে অভিযুুক্ত বহুরূপী কাজী আব্দুস সাত্তার। তিনি নিজেকে ইয়াছিন মিয়ার ভাগিনা পরিচয়ে এসকল অপকর্ম নির্বিঘ্নে করে বেড়াতো।
৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর বেশ কিছুদিন নিরব থাকলেনও সম্প্রতি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সেই সাত্তার। আবার ভুমিদস্যুতার মত কর্মতান্ডে লিপ্ত হযে উঠেছে। তার এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার ভুক্তবোগীরা মহাসড়কে মানববন্ধনও করেছেন। মানববন্ধনে
ভুক্তভোগীরা জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তার মামা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়াামী লীগের সাাধারণ সম্পাদক ইয়াাছিন মিয়ার শেল্টারে এসকল অবৈধ কর্মকান্ড নির্বিঘ্নে করত। বর্তমানে তিনি সেনাবাহীতে কর্মরত তার মেয়ের জামাই মেজর আনাছের নাম ভাঙিয়ে ভূমিদস্যুতা করছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে বিতর্কিত ও সামাজিকভাবে হেয় করে সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে ধুর্থ সাত্তার।
এরআগে আওয়ামী শাসনামলে নেতা ইয়াছিন মিয়ার ভাগিনা পরিচয়ে সাত্তার হয়ে পড়েছিল বেপরোয়া। ইয়াছিন মিয়ার শেল্টারে অন্যের জমি দখল করে সাত্তার। ইয়াছিন মিয়াকে মাসোহারা দিয়ে সাত্তার সাইনোর্ড এলাকার স্বঘোষিত গডফাদার বনে গিয়েছিল।
তার নিজের একটি জাহাজ রয়েছে। সে জাহাজে মাঝে মাঝে বিনোদনের নাম করে ফুর্তিও আসর বসায়। তার এ আসরে প্রশানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাও অংশ নেয়। ফলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও প্রশাসনিকভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়না।
আমরা এই দুর্ধর্ষ ভুমিদস্যুও হাত থেকে রক্ষা পেতে চাই। তার এসব কর্মকান্ড এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় ধরণের নাশকতার আশংকা রয়েছে।
এবিষয়ে জানতে
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা এ বিষয়ে আইনশৃংখলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ ও নিরেপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী আব্দুল সাত্তার বলেন, মিতালি মার্কেটের সব জমি আমাদের। আমার বিরুদ্ধে আনা জমি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আমার বৈধ সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়াকে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিল। আর এখন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবালকে ব্যবহার করে আমাকে হয়রানি করার পাঁয়তারা করছে।