বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আজ বৃহস্পতিবার | ১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মেডিকেলে সুযোগ পেলেন ৫১ শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৯:২৩ অপরাহ্ণ

সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মেডিকেলে সুযোগ পেলেন ৫১ শিক্ষার্থী।

নাজমুল হাসানঃ

এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এবারও ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছেন ডেমরার সাড়া জাগানো সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এ বছর ৫১ জন সরকারি মেডেকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। অত্র কলেজের প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, এখনো মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগপ্রাপ্ত সব শিক্ষার্থীর সংখ্যা জানতে পারিনি, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এবার মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শীর্ষদের মধ্যে এই কলেজের শিক্ষার্থী সানজিদা সুলতানা মাহী ১১তম স্হান অধিকার করেছেন। গত রোববার এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এদিকে যাত্রাবাড়ীতে মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা প্রতিষ্ঠিত ‘ড. মাহবুবর রহমান মোল্লা কলেজ’ থেকেও এবার ৩০ জন শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।
সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, দুটো কলেজই আমাদের, এখানকার শিক্ষার্থীরা খুবই মেধাবী ও স্বাপ্নিক। দুটো কলেজ থেকেই সন্তোষজনক পরিমাণ শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এসব অদম্য মেধাবীদের জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন।
সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১০৯৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৮৯৯ জন এ+ পেয়েছেন। বিজ্ঞান থেকে প্রাপ্ত এ+ এর সংখ্যা ৬৯৬ জন। পাশের হার শতকরা৯৯.৮২ ও এ+ প্রাপ্তির হার ৮২.০২ শতাংশ।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালেও এই কলেজ থেকে ৩৫ শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন। একই সঙ্গে বুয়েট ও প্রকৌশলের গুচ্ছ শাখাতেও এখানকার শিক্ষার্থীদের সাফল্য ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়া এ কলেজ থেকে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পেরেছেন।
সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা আরো বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ, পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং কঠোর তদারকির ফলে প্রতিবছর আশানুরূপ ফলাফল করছেন শিক্ষার্থীরা। মূলত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিবছর মেডিকেল ও বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় ধারাবাহিক সফলতা ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন