বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ বৃহস্পতিবার | ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দৈনিক নারায়ণগঞ্জের ডাকে সংবাদ প্রকাশের পর উদ্যোগ, রূপগঞ্জে ভাঙা সড়ক মেরামত করলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সবুজ মিয়া

রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ | ২:০৯ অপরাহ্ণ

দৈনিক নারায়ণগঞ্জের ডাকে সংবাদ প্রকাশের পর উদ্যোগ, রূপগঞ্জে ভাঙা সড়ক মেরামত করলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সবুজ মিয়া

সোহেল কবির স্টাফ রিপোর্টার :

 

দৈনিক নারায়ণগঞ্জের ডাক-এ সংবাদ প্রকাশের পর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাটাব এলাকার দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি সংবাদে তুলে ধরার পর কাঞ্চন পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সবুজ মিয়ার নজরে আসে। পরে তিনি নিজ অর্থায়নে সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করে দেন।

রবিবার সকালে শাহজাহান কোম্পানির বাড়ি থেকে আব্দুর রহমান মার্কেট পর্যন্ত সড়কের নয়ন কোম্পানি টেক্সটাইল মোড় সংলগ্ন ভাঙা অংশ আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে পাকাকরণ করা হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগে থাকা স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নজরুল ইসলাম, বাবু মিয়া, কামাল মিয়া, নবী হোসেন, নয়ন মিয়া, আনোয়ার হোসেন, বাদশা মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের অভাবে খানাখন্দে ভরে গিয়েছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করলেও কোনো ধরনের সংস্কার কাজ না হওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় পথচারী ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যেত।

হাটাব এলাকার বাসিন্দা রাসেল বলেন, “অনেক বছর ধরে রাস্তার এই অংশটি ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে ছিল। বিভিন্ন মহলে জানিয়েও কোনো সমাধান হয়নি।

 

দৈনিক নারায়ণগঞ্জের ডাকে সংবাদ প্রকাশের পর সবুজ মিয়া দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে রাস্তা সংস্কার করায় আমরা কৃতজ্ঞ।”

স্থানীয় প্রবীণ কবির হোসেন বলেন, “রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হতো। মালামাল পরিবহনে সমস্যা সৃষ্টি হতো এবং প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটত। এখন রাস্তা ঠিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে।”

শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার বলেন, “স্কুল ও কোচিংয়ে যেতে অনেক কষ্ট হতো। বর্ষার সময় চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে যেত। এখন সহজে যাতায়াত করতে পারছি।”

এ বিষয়ে সবুজ মিয়া বলেন, “সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এলাকার মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে সামনে আসে। এলাকাবাসীর কষ্টের কথা বিবেচনা করে নিজ উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়কটি সংস্কার করেছি। মানুষের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে পাশে থাকব।”

স্থানীয়রা মনে করেন, গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা এবং সমাজসেবামূলক এমন উদ্যোগ এলাকার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন