ফাহাদুল ইসলাম সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মজিবুর ও বর্তমান মেম্বার আবুল কালাম কে ম্যানেজ করে সরকারি খাল দখল করে কোম্পানি নির্মানের অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দুই মেম্বার এর সহায়তায় উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড কাবিলগন্জ ও ভিন্নিপাড়া সহ আশেপাশের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খাল দখল করে নিয়েছে বাসমাহ এনজিও সংস্থা ও আশাবুদ্দিন শাহবুদ্দিন সহোদর দুই ভাই। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
ইউপি সদস্য আবুল কালাম মোটা অংকের টাকা পেয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেও এসব দেখেও না দেখার ভান করছে এলাকাবাসীর দাবি। শুধু তাই নয়, কাবিলগন্জ ও ভিন্নিপাড়া গায়ের নিরিহ লোকজনের ফসলি জমি দখলের অভিযোগের পর ও দুই ইউপি সদস্য নিরব। সরকারি জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও সরকারি খাল দখলের কোন প্রতিবাদ নাই তাদের। উল্টো তাদের সাথে একটেবিলে বসে চা নাস্তার আড্ডায় দেখা যায়। এলাকাবাসীর দাবি তাদের কে মোটা অংকের টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ওই এালাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী জানান, ভিন্নিপাড়া ব্রীজের নিচের উত্তর দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিম পাশে সহোদর দুই ভাইয়ের জায়গা
হওয়াতে প্রবাহিত খাল ভরাট করে একেবারে অকার্যকর করে রেখেছে।
ফলে স্থানীয়রা অভিযোগ করলে একাধিকবার উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও ভূমি অফিসারের সার্ভেয়ার এসে মাপজোক করে জানান, ওই জমি সরকারি খালের। তাদের কে সরকারি খাল উদ্ধারে নির্ধারিত সময় বেঁধে দেয়ার পর ও বহাল তবিয়তে আছে। কারো কথায় কর্ণপাত না করে একেরপর এক ফসলি জমি ও খাল দখল করে যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় মেম্বার ও উপর মহলের যোগসূত্রে এ খমতা দেখিয়ে জুরজোলোম করে যাচ্ছে সহোদর দুই ভাই।
এবিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার রেজওয়ান -উল- ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমরা তাদের কে ২ঘন্টার মধ্যে সরকারি খাল দখল মুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছি এখন পর্যন্ত যে খাল দখল ছাড়েনি আমরা অবগত না। আমরা পুনরায় এ্যাকশনে যাব।