ফাহাদুল ইসলাম সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের ছনপাড়া এলাকায় প্রতিবেশীর মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায়শই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৬’শে সেপ্টেম্বর উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়। পরবর্তীতে ২৭’শে সেপ্টেম্বর আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টায় উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে লাঠিসোটা, টেটা, রামদা সহ সকল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর আক্রমণ চালায় এতে আহত হয় প্রায় ১২ জন। এ ঘটনায় আহত বোরহান উদ্দিন বাদি হয়ে মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বোরহান উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে তার বাড়ির সামনে সুমন ও রমজান দুই জনে মিদুল মোল্লাকে মারধর করছিল।। এসময় তিনি মিদুলকে নিয়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার সময় ওৎপেতে থাকা মাজহারুল, জসিমউদ্দিন, আক্তার হোসেন, গাফ্ফার, রমজান, মোজাফ্ফর, দেলোয়ার, তোফাজ্জল, সুমন, রাকিব, পারভেজ ও সাইদুলসহ ১০-১৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র চাকু, টেঁটা, ছোড়া, রামদা, বল্লম ও লাঠি নিয়ে দুজনের উপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে ও টেটাবিদ্ধ করে আহত করে। তাদের ডাক চিৎকারে তার ভাই নুরুজ্জামান (৪০) এগিয়ে এলে তাকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়, বর্তমানে তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় নিবির পর্যবেক্ষক কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছে। তাছাড়া জাহাঙ্গীর মোল্লা, গোলজার, নিপুন হোসেন ও মিদুলসহ ৬ জন আহত হয়। মাজহারুলের স্ত্রী জানান, হামলায় তানিয়া নামে এক গর্ভবতী মহিলা গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মাতুয়াইল হাসপাতালে আহত অবস্থায় ভর্তি আছেন। তাছাড়া ব্যবসায়ী সালাউদ্দিনের মদদে বোরহান, নুরুজ্জামান, রাব্বি সহ আরো অনেকে মিলে তদের উপর আক্রমণ করার ফলে ৫ জন আহত হয়। তবে এখনো পর্যন্ত কোন পক্ষেরই নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।সোনারগাঁ থানার (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, হামলার ঘটনায় মামলা নেয়া হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে। আশাকরি দ্রুত আসামিরা গ্রেপ্তার হবে।