বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ বুধবার | ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হককে হামলা, প্রাণনাশের হুমকি, থানায় সাধারণ ডায়েরি

শনিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২২ | ৭:০৬ অপরাহ্ণ

সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল  হককে হামলা, প্রাণনাশের হুমকি, থানায় সাধারণ ডায়েরি

ফাহাদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ,সোনারগাঁ বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক প্রাণনাশের হুমকিতে, নিরাপত্তা চেয়ে সোনারগাঁ থানায় জিডি (সাধারণ ডায়েরী )।

গত বুধবার সকালে চেয়ারম্যানের ভাই ওবায়দুল হক ও তার ছেলে হাফিজুল হক দোলনকে বারদী বাজারে একা পেয়ে লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে ধাওয়া করে বাড়িতে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হককে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে মারধর করতে প্রস্তুত হয়। তাকে হত্যার হুমকি ও দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক সশরীরে সোনারগাঁ থানায় উপস্থিত হয়ে জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী করেন।

ইজহারে বারদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক উল্লেখ করেন, উপজেলার বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দু’দফায় জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন পাননি। কিন্তু নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে কোন প্রার্থীর পক্ষেও ছিলেন না। নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। এর মধ্যে নাজমুল হক নির্বাচিত হন। পরাজিত হয়ে ইব্রাহিম খলিল ইবু ও জাকির হোসেন নির্বাচনের দিন রাতে একত্রিত হয়ে তার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। ইব্রাহিম খলিল ও জাকির হোসেন পরাজিত হয়ে জহিরুল হক চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করে বাড়িতে গিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই তাইজুল ইসলাম, ভাতিজা সাকিব, তানজিল, ভাইয়ের স্ত্রী বিলকিস, মুন্না, আমেনা বেগম আহত হন। আহতদের ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। এছাড়াও নির্বাচনে পর্যবেক্ষনে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িসহ প্রায় ২০-২৫টি গাড়ি ভাংচুর করে। এ ঘটনার পর তৃতীয় ধাপে এ ইউনিয়নের বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান লায়ন মাহবুবুর রহমান বাবুল মিমাংসা করে দেন।

এ ঘটনায় প্রায় এক মাস পর বুধবার সকালে চেয়ারম্যানের ভাই ওবায়দুল হক ও তার ছেলে হাফিজুল হক দোলন বারদী বাজারে গেলে একা পেয়ে ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে সৈকত রাসেল, মানিকসহ ১০-১২ জনের একটি দল লাঠিসোটা ও রামদা নিয়ে ধাওয়া করে বাড়িতে নিয়ে যায় ও চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে মারধর করতে এগিয়ে আসে। তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বিকেলে চেয়ারম্যান জহিরুল হক বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।

বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক বলেন, আমি এখনো এ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তাছাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি। আমার ও আমার জীবনের নিরাপত্তা নেই। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার বাড়ি পর্যন্ত আমার পরিবারের সদস্যদের ধাওয়া করে নিয়ে যায়। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সোনারগাঁ থানায় আমি সাধারণ ডায়েরী করেছি।

অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিল বলেন, জহির চেয়ারম্যান তার প্রভাবে ভাতিজাকে নির্বাচিত করেছেন। তবে হুমকির বিষয়ে কোন কথা বলেননি।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান জহিরুল হক নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন