সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ সোমবার | ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home » Slider »

সিদ্ধিরগঞ্জ সি আই খোলা চুনা সাথে মাটি দিয়ে ব্লেসিং পাউডার তৈরি অসাধু ব্যবসায়ীরা

রবিবার, ০৮ আগস্ট ২০২১ | ৬:৩৮ অপরাহ্ণ

সিদ্ধিরগঞ্জ  সি আই খোলা চুনা সাথে মাটি দিয়ে ব্লেসিং পাউডার তৈরি অসাধু ব্যবসায়ীরা

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জ নাসিক ১ নং ওয়ার্ড সি আই খোলা রতন ও কায়সার আহাম্মেদ শাওন চুনা সাথে মাটি দিয়ে ব্লেসিং পাউডার ও অন্যন্যা পাউডার তৈরি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।গত ৮ অগাস্ট দুপুরে সি আই খোলা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অবৈধ ভাবে কোন কাগজ পত্র ছাড়া আবাসিক এলাকায় গ্যাস কামালের বাড়ির পাশে মিশন ও গোডাউন দেখা যায়। রতন ও শাওন গোডাউন এর ম্যানাজার জাকির হোসেন বলেন, আপনারা এই ভাউচার দেখেন সব লেখা আছে মেসার্স ইউ এস ষ্টোন লাইমস, ওয়াশিং পাউডার,ড্রাইং পাউডার, হাইড্রো অক্সাইড উৎপাদন ও সরবরাহকারী করা হয়।কিন্তু বাহিরে কোন সাইনবোর্ড নাই কেন,আমি এসব কিছু জানি না, আমাকে দেখা শুনার দায়িত্ব দিয়েছে আমি টাকার বিনিময়ে কাজ করছি,তাকে আমরা প্রশ্ন করলে তিনি জানান,গাজীপুর থেকে এক ধরনের সাদা মাটি আছে সেগুলোর সাথে চুনা মিশিয়ে বাজারজাত করছে, তিনি আরো বলেন, এই মিশনে মাটি ও চুনা একত্রে করে কারখানা এগুলো করা হচ্ছে।কোন কাগজ পত্র আছে প্রশ্ন করলে তিনি , ট্রেডলাইসেন্স আছে আর কোন কাগজ পত্র নাই মাত্র ৬ মাস হয়েছে এই কারখানা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, করোনা কালীন সময়ে ও ঈদুল আজহা সময় ব্লেসিং পাউডার ১ শত টাকা কেজি বিক্রি করা হয়েছে।ব্যবসা জমজমাট হয়েছে মালিকরা দুইজনে লালে লাল হয়ে গেছে। শাওন ও রতন দুইজনেই চিটাগাং রোড চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট চায়না প্যালস এর মালিক হাজী হযরত আলীর আত্মীয় হয়।আবাসিক এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা একজন ,নাম প্রকাশ না করা শর্তে তিনি জানান, আমরা বসবাস অযোগ্য হয়ে ওঠেছে,চুনা পাউডার এলাকা সাদা হয়ে যায়। কিভাবে আবাসিক এলাকায় এমন কারখানা / গোডাউন করার অনুমোদন দেয় আমাদের বোধগম্য নয়।আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে এসকল অবৈধভাবে বানিজ্য করছে তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।আমরা তাদের সাথে পারি না তারা বিরাট পয়সা ওয়ালা ধনী লোক আমাদের কে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। আমরা মুখ খুললে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে।এলাকাবাসীর দাবি অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা আবাসিক এলাকায় এমন কোন কারখানা অনুমোদন দেওয়া হয় নাই। যদি অবৈধভাবে কারখানা করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন