সুমন আহমেদ ।
চাঁদপুরের বাটটু কামাল ও কামরুজ্জামান এবং মামুন এরা যৌথ ভাবে নারায়ণগঞ্জ সহ তার আশপাশের এলাকায় দীর্ঘ দিন থেকে একাধিক আবাসিক হোটেলে মাদক ও নারী দিয়ে অবৈধ ভাবে নারী বাণিজ্য ও মাদক ব্যাবসা এবং জুয়ার বোর্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ আছে, এই আবাসিক হোটেল অতিথি র নামে নারী—পুরুষের স্কর্ট সার্ভিসের নাম দিয়ে দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ও নারী দিয়ে অবৈধ ভাবে দেহ ব্যবসা। হোটেলে আগত বর্ডারদের চাহিদা মত প্রতিটি রুমে মাদকের সাথে সুন্দরী নারী সরবরাহ করে থাকে নারী ব্যাবসায়ি কামাল এবং তার সহযোগী মাদক ব্যাবসায়ি মামুন ও কামরুজ্জামান। অনুমোদনহীন অবৈধ আবাসিক হোটেল অতিথি যেন মিনি পতিতালয় এবং জুয়া ও মদের আড্ডাখানায় পরিনত হয়েছে। এই অবৈধ আবাসিক হোটেল গুলো তে প্রতিনিয়ত ঘটছে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ। জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন যায়গা থেকে বিভিন্ন বয়সের পতিতা মেয়ে দের কে দিয়ে মাদকের কেনাবেচা এবং তাদের দিয়ে উক্ত আবাসিক হোটেল এ আশা খদ্দের দের ইয়াবা এবং মদ সেবন করিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে বের করে দেওয়া হয় বলে একজন ওই এলাকার বাসিন্দা যানায়। অভিযোগ রয়েছে, বাটটু কামাল শুধু নারী ব্যাবসায়ি নয় সে মাদক সেবন কারি ও। এই আবাসিক হোটেল অতিথি তে গত ৩ মাসে ও কোনো বর্ডার ছিলনা। বা রেজিস্ট্রার খাতায় ও দেখাতে পারবেনা। এই সব অভিযোগের বিষয়ে কামালের কাছে জানতে চাইলে সে হোটেলে অবৈধ ব্যবসার কথা স্বীকার করে। আরো বলে, এসব প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করতে থানা পুলিশ, এলাকার পোলাপান থেকে । শুরু করে সবাইকে মাসোহারা দিয়ে আমি হোটেল ব্যবসা করি। থানার ওসি যদি এধরনের ব্যবসা করতে সুযোগ না দিত তাহলে কি করা সম্ভব হতো উল্টো এ প্রশ্ন ও তারা রাখেন । আমরা যে ধরনের অবৈধ ব্যবসায় করি তার সব টাই পুলিশ জানে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কপোর্রেশনের এক কর্মকর্তা জানায় আমরা শুধু প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স দিয়ে থাকি। কিন্তু আবাসিক হোটেল ব্যবসা করতে লাইসেন্স দিয়ে থাকেন জেলা প্রসাশক।
সম্প্রত্তি, জেলা প্রসাশক কার্যালয় থেকে খবর নিয়ে জানা গেছে, উক্ত অতিথি আবাসিক হোটেল এর নামে কোন ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি বিধায় উক্ত আবাসিক হোটেল অতিথি , অবৈধ। শুধু তাই নয় আবাসিক হোটেলের ছাড়পত্রে যে ধরনের নিয়মাবলী রয়েছে তার কোনটাই নেই যেমন, ফায়ার সার্ভিসের ও জেলাপ্রশাসক এবং ভ্যাট ইনকাম টেক্স এর কোন কাগজ পত্র নেই ফলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । বছরে লাখ লাখ টাকা , নিরাপত্তার ব্যবস্থা। এভাবে তারা প্রসাশন ও সাধারন মানুষকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে নির্ভিগ্নে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছে । সমাজের বড় ধরনের অপরাধী। প্রশাসন এইসব বিষয়ে উদাসীনতা দেখানোর কারণে এসব আবাসিক হোটেল এর প্রতি তাদের তেমন কোন নজর থাকে না। যার ফলে দিন দিন বাড়ছে অপরাধ ও অপরাধীর সংখ্যা।