সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ সোমবার | ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শহরের মার্কেট গুলোতে জমে উঠেছে ঈদ ও নববর্ষের কেনাকাটা

রবিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৩ | ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ

শহরের মার্কেট গুলোতে জমে উঠেছে ঈদ ও নববর্ষের কেনাকাটা

ঘনিয়ে আসছে ঈদুল ফিতর ও নববর্ষ । মূলত এই দুই উৎসব ঘিরে জমে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ শহরের মার্কেট গুলোতে সব ধরনের কেনাকাটা ধুম। আগামী ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ পালিত হবে সারাদেশে। এর ঠিক সপ্তাহখানেক বাদে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে।

ঈদ ও নববর্ষ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে শহরের শপিংমল ও মার্কেট গুলো। এরই মধ্যে বেচাকেনায় জমে উঠেছে নগরীর ফ্যাশন হাউস গুলোতে। সকালে তেমন ক্রেতা উপস্থিতি না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

যারা ইতোমধ্যে মার্চ মাসের বেতন পেয়ে গেছেন, তারা আগে-ভাগে ছুটে আসছেন মার্কেটে। করছেন কেনাকাটা। ভিড় বাড়তে শুরু করছে মার্কেটগুলোতে। আর যারা আগামী সপ্তায় বেতন ও পহেলা বৈশাখের উৎসবভাতা পাবেন তারা কেনাকাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তবে এবার নতুন কি পোশাক-আশাক এসেছে মার্কেটগুলোতে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন নগরবাসী।এ মুহূর্তে সবার নজর পহেলা বৈশাখ ও ঈদের পোশাকের দিকে।

শনিবার (৮ এপ্রিল) শহরের কালীরবাজার ও ডিআইটির এলাকার ফেন্ডস মার্কেট, সমবায় মার্কেট, জিরো বাজার সুপার স্টোর, আলমাছ পয়েন্ট, মার্ক টাওয়ার, টপটেন মার্ট, হক প্লাজা, সান্তনা মার্কেট, আল জয়নাল ট্রেড সেন্টার, জিরো বাজার, লুৎফা টাওয়ার,পানোরামা প্লাজা, ইজি ফ্যাশন, সায়াম প্লাজা, হাসনাত স্কয়ার, সোলস্তা, আড়ৎসহ বিভিন্ন মার্কেট গুলোতে গিয়ে দেখা যায় প্রায় প্রতিটি দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঈদেকে সামনে রেখে দিন যতই যাবে ভিড় ততই বাড়বে। আর ভিড় এড়াতে রমজানের প্রথম দিকে ঈদের কেনাকাটা সেরে নিতে শপিংমলে আসতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। পছন্দের পোশাক বাছাই করতে নেই কোনো কমতি। পছন্দের রঙ, ডিজাইন ও উপাদানের পোশাক নিতে পরখ করে দেখে নিচ্ছেন ক্রেতারা।

তবে পোশাকের মান নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ক্রেতাদের দাবি, বেশিরভাগ দোকানে খুঁজে পাচ্ছেন না ভালো মানের পোশাক। দাম নিয়েও রয়েছে অসন্তুষ্টি।

শহরে পরিবার নিয়ে কেনাকাটা করতে আসা সাজ্জাদ হোসেন জানান, গতবারের তুলনায় এবছর পোশাকের দাম অনেক বেশি। এছাড়া নতুন কালেকশন এখনও তেমন আসেনি।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি,দেশে সব জিনিসের দাম বেড়েছে। ফলে বেড়েছে পোশাকের দাম।পাশাপাশি এলসি সমস্যার কারণে ক্রেতাদের চাহিদামতো পণ্যের যোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান বিক্রেতারা।

শহরের জিরো বাজার সুপার স্টোর লিমিটেডের এমডি শাহাদাৎ হোসেন বলেন, পবিত্র ঈদুল ঈদ উপলক্ষে আমরা ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখেই এবার ঈদের নতুন সব ডিজাইনের পোশাক উঠিয়েছি। তবে বাহিরের কাপড় গুলোর দাম একটু বেশি ডলারের কারনে।তবে পরিবহনসহ সব খাতে খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার দাম কিছুটা বাড়তি।

দামের বিষয়ে তিনি বলেন, দাম একটু বেশি। তবে পোষাকে মান অনুযায়ী দাম আমাদের ঠিক আছে। দাম ও সাধ্যের মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি। ক্রেতাদের সন্তুষ্ট করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন