নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নে নতুন সেবা হাসপাতালে জহিরুল ইসলাম ( ৪০)নামে এক ফার্মেসী কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু। তবে পরিবারের দাবি তাকে রাতের আঁধারে হাত পা বেঁধে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
গত সোমবার ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে নতুন সেবা হসপিটালে তাঁর কক্ষ থেকে সোনারগাঁ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, জহিরুল ইসলাম পিরোজপুর ইউনিয়নের পচ্শিম কান্দাপাড়া মরহুম আবদুল হোসেন এর বড় ছেলে। দুই ভাই, মা আর এক ছেলে (১৫) মৃত্যু কালে রেখে যায়। নতুন সেবা হসপিটালের ফার্মেসি বিভাগের কর্মচারী ছিল।
প্রতিদিনের মতো গতকাল সোমবার রাতে ফার্মেসিতে আসে। মঙ্গলবার সকালে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় পরিবার লোকজন বিভিন্ন খোঁজাখুঁজির পর হাসপাতালে আসলে তাঁরা সন্দেহ মূলক আচরণ করে। তাদের এ আচরণ সন্দেহজনক হলে হাসপাতালে খোঁজাখুঁজির পর হাসপাতালের এক রোমে হাত পা বাঁধা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় খত অবস্থায় নীথর মরদেহ পাওয়া যায়।
এ সময় স্বজনদের উপস্থিতি টের পেয়ে হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা পালিয়ে যায়। ঘটনাক্রমে হাসপাতালে মালিক মনির হোসেন ও ম্যানেজার আক্তার হোসেন উত্তেজিত জনতার হাতে আটক হয়।
পরে সোনারগাঁ থানার অপারেশন ওসি জানাব আহসানুল্লাহ ও সেকেন্ড অফিসার এসআই ইমরান, এস আই মোতালেব,এস আই মোস্তাফিজুর রহমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে হসপিটালের মালিক মনির হোসেন ও ম্যানেজার আক্তার হোসেন কে আটক করা হয়েছে। পুরোপুরি তদন্ত করে অন্যান্য আসামীদের ধরার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।