শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ শুক্রবার | ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সোনারগাঁয়ে যথাযথ মর্যাদায় ভাষা শহীদদের প্রতি আওয়ামী যুবলীগের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন

মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৭:৩০ অপরাহ্ণ

সোনারগাঁয়ে যথাযথ মর্যাদায় ভাষা শহীদদের প্রতি আওয়ামী যুবলীগের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন

ফাহাদুল ইসলাম সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে সোনারগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠন।

রাত ১২টা ০১ মিনিটে প্রথমে সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় শহীদ মিনার এলাকাটি ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি,আমি কি ভুলিতে পারি,,,,,,গানে গানে মুখরিত ছিল।

উপজেলা প্রশাসন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে একে একে আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগ, যুবলীগ,শ্রমিক লীগ,কৃষক লীগ ও সামাজিক,সাংস্কৃতিক, সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ।

পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।এবং দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে থানা পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা দেয়া হয়েছিল।

এসময় যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল নান্নুর উদ্বেগে যুবলীগের মোগরাপাড়া ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক নাজমুর রহমান সজিব ও ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম সাগরের হাত ধরে বিশাল মিছিলের সোডাউন এর মাধ্যমে সোনারগাঁ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়াও আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সহ স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হৃদয় প্রধান, পারভেজ, সুমন, মামুন লিয়ন ফয়সাল সহ আরো অনেকে।

শহীদ মিনারে দোয়া ভাষা শহীদদের জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা কামনা করে বলেন,
ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৯) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। কানাডার ভ্যানকুভার শহরে বসবাসরত দুই বাঙ্গালী রফিকুল ইসলাম এবং আবদুস সালাম প্রাথমিক উদ্যোক্তা দিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে ১৯৯৮ সালে।[১][২] ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসঙ্ঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।[৩] ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে এখন থেকে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে জাতিসংঘ। – এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে উত্থাপন করে বাংলাদেশ। গত মে মাসে ১১৩ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘের তথ্যবিষয়ক কমিটিতে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষিত হয়। এদিন শহীদ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রেডিও, টেলিভিশন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশের সংবাদপত্রগুলিও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন