সোনারগাঁয়ে শিল্পগ্রুপ চৈতী কম্পোজিটের বৃষ্টির পানিতে পাশ্ববর্তী ছোটশীলমান্দী গ্রামের রাস্তা ভেঙ্গে গেছে। পানির তীব্র স্রোতে সড়কের অনেকটা জুড়ে গভীর গর্ত হয়ে মাটি সরে গেছে। এতে ৫-৭ টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় , সোনারগাঁও পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের ছোটশীলমান্দী গ্রামে চৈতী গ্রুপের বিশাল শিল্পপার্ক। এরই এক অংশ নির্মানাধীন আবুল কালাম স্পিনিং মিলের পাশে ছোটশীলমান্দী গ্রামের দেলোয়ারের বাড়ির সামনের সড়কটিতে গভীর ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে । গ্রামবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন সময় বৃষ্টি ও অন্যান্য ব্যবহৃত পানি রাস্তার দিকে ছেড়ে দেয়। এতে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠে। গত দুই দিন আগে ভারী বৃষ্টিতে পানির তীব্র স্রোতে এই সড়কটি ভেঙ্গে গেছে। এটা পৌরসভার সরকারি রাস্তা । ছোটশীলমান্দিসহ আশে পাশের ৭/৮ টি গ্রামের মানুষ চলাচল করে এই সড়কটি দিয়ে।স্থানীয় গ্রামবাসী জানান, চৈতী গ্রুপের আগ্রাসন শুধু এটাই নয়। সোনারগাঁওয়ে খাল- বিল নদ-নদী, ফসল জমি, বসতবাড়ি সহ মৎস্য খামার আজ ধ্বংসের মুখে।
তাছাড়া ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থলে কয়েকশ মিটার পাকা সড়কও বালু ফেলে চলাচলের অনুপযোগী করে রেখেছে চৈতী গ্রুপ।বর্তমানে কোন রিকশা বা গাড়ি এই সড়কে চলতে পারেনা। গত দুই দিন আগে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে চৈতি কোম্পানির ভেতরের পানি তীব্র স্রোতে গ্রামের দিকে ছুটে আসে। কাঁচা রাস্তাটি মারাত্নক ভাবে ধ্বসে গেছে। কোম্পানির লোকদের অনেক বার বলা হয়েছে। কিন্তু এখনো কোন ব্যবস্থা নেয় নাই।
তাদের এ কোম্পানির দূষিত ময়লা পানি অত্র এলাকার খাল বিল, নদী নালার পানি কালো দূষিতে রূপান্তরিত হয়েছে। যার ফলে এলাকার ফসলের জমি, বসতবাড়ি, মৎস্য খামার ভয়ংকর রূপে পরিণত হয়েছে।
মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিবাদী হয়ে গেছে, নানা সময় মানববন্ধন সহ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তার সুষ্ঠু সমাধানের চেষ্টা চালালেও কোন প্রতিকার হয়নি আজও। দিন দিন বেড়েই চলছে এ কোম্পানির অত্যাচার ।
এ ব্যাপারে সোনারগাঁও পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ বলেন, বিষয়টি জানা ছিলনা। এখন আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।