শুক্রবার, ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
আজ শুক্রবার | ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
Home » Slider »

বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ভারতের পতিতালয়ে টিকটক হৃদয়ের নারী বিক্রি

শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১ | ৫:২৫ অপরাহ্ণ | 45Views

বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ভারতের পতিতালয়ে টিকটক হৃদয়ের নারী বিক্রি

ভারতে গণধর্ষণের শিকার নারীকে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে পাচার করে একটি পতিতালয় বিক্রি করেছিল মগবাজারের রিফাজুল ইসলাম হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় (২৬)। এর আগে এই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে টিকটক হৃদয়। ভিকটিম নারীকে শনাক্ত করে একটি পতিতালয় থেকে তাকে উদ্ধার করে ভারতের বেঙ্গালুরুর পুলিশ। এরপর একেএকে অভিযুক্ত চার তরুণ ও দুই নারীকে গ্রেফতার করে তারা। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশকেও গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বেঙ্গালুরুর পুলিশ। গ্রেফতারকৃত টিকটক হৃদয়কে দ্রুত দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়াও শুরু করার কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এই ঘটনায় দু’দেশেই মামলা ও তদন্ত চলবে বলেও জানিয়েছেন।

যেভাবে ভারতে পাচার হয় কিশোরগঞ্জের দরিদ্র নারীকে

ভারতে যৌন নির্যাতনের শিকার নারীর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় (ভিকটিমের নিরাপত্তার স্বার্থ নাম পরিচয় গোপন রাখা হলো)। দরিদ্র পরিবারে জন্ম বলে মাত্র তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তিনি পড়ালেখা করতে পেরেছেন। ২০১৪ সালে প্রেম করে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের কুয়েত প্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ওই নারী কে শ্বশুরবাড়ীর কেউ মেনে নেয়নি। তাকে বিভিন্ন সময় শ্বশুরবাড়ীর নির্যাতন ও অত্যাচার সহ্য করতে হতো। যে কারণে তিনি বিয়ের প্রায় ৫ বছর পর পর্যন্ত বাবার বাড়ি কিশোরঞ্জে থাকতেন। স্বামীও কোনও খোঁজ খবর নিত না। বাবার আর্থিক অনাটনের কথা চিন্তা করে নারী সৌদি আরব যাওয়ার চিন্তা করেন। ঢাকায় কয়েক মাস হাতিঝিল এলাকায় ছিল। ঢাকায় থাকা অবস্থায় সৌদি যাবার জন্য একবার এক দালালকে ত্রিশ হাজার টাকাও দেন ওই নারী ও তার বাবা। তবে দালাল তাদের টাকা আত্মসাৎ করে। এরপর নারী কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যান কয়েকমাস আগে। তার ৪ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সে বর্তমানে চাঁদপুরে তার দাদা দাদির কাছে রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, টিকটক হৃদয়ের সঙ্গে ওই নারীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়, হৃদয় তাকে ভালো বেতনে চাকরিসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পাচার করে। এরপর সেখানে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয় তাকে।

-Advertisement-
সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন

-Advertisement-
-Advertisement-