নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা বলেন, আমাদের প্রজন্ম বলেন বা বর্তমান প্রজন্ম বলেন আমার নেতা এ.কে.এম শামসুজ্জোহার নাম শুনে নাই এমন লোক পাওয়া যাবে না। সবাই আমার নেতাকে চেনেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন এই পরিবারের কাছে আমরা ঋণী।
ভাষা আন্দোলনের অগ্র সৈনিক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,স্বাধীনতা (মরনোত্তর) পদকপ্রাপ্ত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহচর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য এ.কে.এম শামসুজ্জোহার ৩৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ২নং ওয়ার্ডের মিজমিজি পশ্চিম পাড়া মাদ্রাসা রোড এলাকায় এ আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো: নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নাসিক ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি.এম আরমান, নারায়ণগঞ্জ মহানগর তঁাতী লীগের আহবায়ক চৌধুরী এইচ.এম ফারুক সাহেদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তঁাতী লীগের আহবায়ক মো: লিটন আহমেদ।
এ সময় এড. খোকন সাহা আরও বলেন, আমার প্রিয় নেতা শামসুজ্জোহার চোখের দিকে তাকিয়ে আমরা কথা বলতাম না। তার পায়ের দিকে তাকিয়ে আমরা কথা বলেছি। তার ছেলে এ.কে.এম শামীম ওসমান আমার ছোট বেলার বন্ধু। আমার নেতার আদর্শ এখনো মেনে চলি। তিনি বঙ্গবন্ধুর পরিবারের পাশে দাড়িয়েছিলেন যখন পাক-হানাদার বাহিনী এ্যাটাক করেছিলেন।
তিনি বলেন, পাকিস্তান একটি যুদ্ধাপরাধী দেশ। তারা আমাদের ত্রিশ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিলেন। আমার নেত্রী পঁাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তার জন্য আপনারা দোয়া করবেন। তিনি বেঁচে থাকলে এই দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিনত করবেন।
আলোচনা সভা শেষে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নিহত সদস্যদের ও প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য এ.কে.এম শামসুজ্জোহার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কৃষক লীগ নেতা আব্দুল হাকিম, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতিন (পাগলা), মো: আব্দুর রহমান, এস.এম নয়ন, সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।