বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এড. আনিসুর রহমান দিপু বলেন, পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীরা বুঝতে পেরেছিলো বাঙালিদের বিজয় নিশ্চিত। তখন বাংলাদেশের যারা মেধাবী ছিলো যারা বাংলদেশকে পরিচালনা করবে সেই বাংলাদেশকে মেধাশূণ্য করার জন্য ডিসেম্বরের ১০ তারিখ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদেরকে হত্যা করেছে। আমার বিশ্বাস তাদের প্রেতাত্মা এই বিএনপির কাঁধের উপর প্রেতাত্মা ভর করছে।
শনিবার( ১২ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ২নং রেলগেট সংলগ্ন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে সামেন তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের গর্বের মাসে আমাদের অহংকারে মাসে, আমাদের বিজয় মাসে তারা একটা দন্দ্ব,একটা সংঘাত একটি অরাজগাতা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। এই জন্য তারা আজকে সমাবেশ ঢেকেছে।
মানুষের ভিতরে একটি আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য আন্দোলন নামে আগুণ সন্ত্রাস করেছে। শত শত মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়েছে এবং আজকে তাদের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ৪ দিন যাবত সন্ত্রাসী করছে, পুলিশের উপর হামলা করেছে এবং যারা আহত হয়েছে তাদের সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।
পুলিশ অন্তাত কঠিন ও কঠোর ভাবে জনগনের জান মালের নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা সবাই দেখেছেন একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে কি পরিমান বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। গতাকল তারা একটি বাস পুড়িয়ে দিয়েছে আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্র ধরে রাখার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছে। যদি কেউ সন্ত্রাসী করে নিরহ মানুষের উপর আক্রমন করে, মানুষের জান মালে উপর ও আইনশৃঙ্খলাবাহীনির উপর হামলা করে আমরা গণতান্ত্রিক দল হিসাবে জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সেই আগুন সন্ত্রাসী, বোমাবাজদের বিরুদ্ধে সচেতনভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।