ফাহাদুল ইসলাম সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ . সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগে বেইমান ও হাইব্রিড, মোস্তাকে ভরে গেছে বলে মস্তব্য করছেন নির্বাচনে আওয়ামী পরাজিত প্রার্থীর সমর্থক ও তৃনমুল নেতাররা।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম নির্বাচনে পরাজিত হওয়াই ইঙ্গিত করে সোনারগাঁও আওয়ামীলীগ আর আওয়ামীলীগ নাই, এখানে আইব্রিড ও সুবিধাবাদী বেইমান প্রবেশ করেছে, তা না হয় ১০ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর মধ্যে ৯ টি আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, এরপরেও সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি কেন?
পরাজয়ের পর নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে নির্বাচন নিয়ে সভাপতি এডভোকেট সামসুল ইসলাম ভুইয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কায়সারকে দল থেকে হাইব্রিড ও বেঈমানদেরকে বাছাই করে ছিটকে ফেলার অনুরোধ করেন, অন্যথায় সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকবে না।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) জেলা পরিষদ নির্বাচনে সোনারগাঁ উপজেলা থেকে নির্বাচন করেন জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম ও জেলা জাতীয়পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম ইকবাল । নির্বাচনে ১৩২টি ভোটের মধ্যে আবু নাঈম ইকবাল এর তালা প্রতিক ৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধি প্রার্থী মোস্তাফিজুর মাসুম পান ৪৯ টি ভোট।
এ বিষয়ে সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য মাসুম জানান, আমি জনপ্রতিনিধিদের ভালবাসা অর্জনের কোনো কমতি করি নাই, সকলের সাথে সামঞ্জস রেখে, সবাইকে সম্মান করে, মিলেমিশে ই বিগত সময় গুলো পার করেছি, সবাইকে যথেষ্ট সম্মান করেছি, এ নির্বাচনে যারাই আমার সাথে বেইমানি করেছে , সেটা আমার সাথে না, পুরো দলের সাথে বেইমানি করেছে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে ঠকিয়েছে, তারা মূলত আওয়ামী প্রেমিক না, তারা সুবিধাবাদী বেইমান ও মোস্তাকের দল, আমি আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলছি ,সোনারগাঁও আওয়ামীলীগ থেকে বেইমান, মুসতাক ও হাইব্রিড দূর না করলে আওয়ামীলীগ সোনারগাঁ থেকে অচীরে বিলীন হয়ে যাবে।
এছাড়াও আওয়ামীলীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সোনারগাঁয়ে এবার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নে নৌকার চেয়ারম্যান ও ৯০ জনের মতো ইউপি সদস্য নির্বাচিত হোন। সেখানে মোস্তাফিজুর রহমান মাত্র ৪৯ ভোট পান। যেখানে এতোগুলি চেয়ারম্যান ও মেম্বার রয়েছে সেখানে আওয়ামীলীগের সমর্থিত প্রার্থী হাতি প্রতিক নিয়ে কিভাবে পরাজিত হয়।
তাহলে বুঝার বাকি নাই যে, আওয়ামীলীগের লোকজন আওয়ামীলীগে ভোট না দিয়ে জাতীয়পার্টির সমর্থক এর কাছে বিক্রি হয়েগেছ। তারা আরো বলেন, বর্তমানে যারা আওয়ামীলীগে আছে তারা সুবিধাবাদি, রাজাকার ও হাইব্রিড। তারা সুযোগ সুবিধা গ্রহন করতে আওয়ামীলীগ করে প্রকৃত অর্থে তারা বেইমান মোস্তাকের বংশধর।
এ ব্যাপারে সাবেক সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান মাসুম বড় দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলেন, আওয়ামীলীগে থাকা মুস্তাক বেইমান ও হাইব্রিডের কারণে আজ এ ভরাডুবি, এখানে মূলত আমার পরাজয়ের চেয়ে সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের পরাজয়ের বিষয়টা বড়।