রবিবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ রবিবার | ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আগামীকাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে কে হচ্ছেন বিজয়ী, চলছে নানা গুঞ্জন

সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩:৫২ পূর্বাহ্ণ

আগামীকাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে কে হচ্ছেন বিজয়ী, চলছে নানা গুঞ্জন

ফাহাদুল ইসলাম সোনারগাঁ প্রতিনিধি : রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।আগামীকাল সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন, থাকবে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন ম্যাজিস্ট্রেট পাশাপাশি মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নির্বাচন উপলক্ষে শেষ মুর্হুতে চলছে কে জয়লাভ করবে তার হিসেব নিকেস। এই নির্বাচনে যদিও সাধারন মানুষের অংশ গ্রহন নাই তারপরও এ নির্বাচন নিয়ে তাদের আগ্রাহ অনেক বেশী। আগামী কালের নির্বাচনে কে জয়লাভ করবে সেই গুজ্ঞন চলছে প্রতিটি পাড়া -মহল্লার চেয়ার দোকানে দোকানে। কে জয়ী হতে পারে, এ নিয়ে চলছে একে অপরের সাথে দ্বন্দ্ব, আওয়ামী লীগ নাকি জাতীয় পার্টি, নানান গুঞ্জনের মধ্য দিয়ে আগামীকাল সমাপ্তি ঘটবে গুঞ্জনের শেষ পরিণতি। জানাগেছে, আগামীকাল জেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্ধিন্ধিতা নির্বাচিত হওয়ায় জেলা পরিষদ সদস্যদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জেলার সোনারগাঁ উপজেলা ৩নং ওয়ার্ড নির্বাচন করবেন জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম ও জেলা জাতীয়পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম ইকবাল। মোস্তাফিজুর রহমান মাসুমকে উপজেলা আওয়ামীলীগের পুরো সমর্থন রয়েছে। আবু নাঈম ইকবাল জেলা জাতীয়পার্টির সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় সোনারগাঁয়ের এমপি পুর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। সে হিসেবে আগামীকালের যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা মুলত আওয়ামীলীগ ও জাতীয়পার্টির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে দুই জনই প্রচার-প্রচরনায় ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। দুই প্রার্থীই উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। জনপ্রতিনিধিরা দুইজনকে ভোট দিবেন বলে আশ্বাস দিয়ে গেছেন। তবে আগামীকাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রতিনিধিরা কাকে ভোট দিবেন একমাত্র তারাই বলতে পারবেন। তবে প্রার্থীরা দুইজনই নির্বাচিত হওয়ায় ব্যাপারে সর্ম্পুন আশাবাদি। তারা জানিয়েছেন আগামীকাল যেহেতু ইভিএম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেজন্য তারা দুইজন নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি।

আগামীকালের নির্বাচন নিয়ে প্রার্থীদের সাথে ভোটারদের লেনদেনের বিষয় নিয়ে কথা হলে তারা জানান, আর্থিক লেনদেনের কোন বিষয় এখানে ওঠার প্রশ্নে উঠে না, যাকে দিয়ে সমাজের উন্নয়নমূলক কাজ হবে তাকে ভালোবেসেই ভোটাররা ভোট দিয়ে জেলা সদস্য হিসেবে জয়ী করবেন, এখানে যারা অর্থ লেনদেনের বিষয়ে ইচ্ছুক হবেন তারা মূলত সাময়িক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে ভোট কেনাবেচা করবে, তাদের মাধ্যমে কোন উপকার আসবে বলে মনে করেন না প্রার্থী গন।

এদিকে আগামীকালের নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যেও চলছে মত নৈকন্য। মোস্তাফিজুর রহমান সরাসরি আওয়ামীলীগের সমর্থন প্রাপ্ত। সাবেক এমপি কায়সার হাসনাত রয়েছেন তার সাথে। সাথে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট সামসুল ইসলাম ভুইয়া ও সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুমসহ আওয়ামীলীগের সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগন। আওয়ামীলীগ নেতারা মনে করেন শুধু আওয়ামীলীগের আর্দশ নিয়ে যারা রাজনীতি করে ইউপি নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তারা যদি মাসুমকে ভোট দেন তাহলে মাসুম বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন। অপরদিকে জাতীয়পার্টির সমর্থন রয়েছে আবু নাঈম ইকবালের দিকে। সে হিসেবে লিয়াকত হোসেন খোকা তার সহধর্মীনি ডালিয়া লিয়াকত তার জন্য কাজ করছেন। এদিকে জনপ্রতিনিধিদের সাথে লিয়াকত হোসেন খোকার আত্মার টান রয়েছে। তারা যদি লিয়াকত হোসেন খোকাকে দেখে ভোট দেন তাহলে জাতীয়পার্টির জয় নিশ্চিত। তবে নির্বাচনের শেষ দিকে এসে সকলে সকলে হিসেব মতো ভোটারদের সমর্থন নিয়েছেন। ভোটাররা যদি অবশেষে বেঁকে না বসেন তাহলে ক্ষমতাশীন দল জয়ী হবার সম্ভাবনা রয়েছে বেশী। এ বিষয় নিয়ে একজন সাবে ক ইউনিয়ন সদস্যর কাছ থেকে জানা যায়, জেলা পরিষদ নির্বাচন নির্ভর করবে ওয়ার্ড জনপ্রতিনিধিদের উপর, তারা যাকে পছন্দ করে ভোট দিবেন সেই এ জেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হবে, তবে যাকে দিয়ে কাজ হবে ও জনপ্রতিনিধিদের উপকারে আসবে তাকেই ভোট দিয়ে জয় করবে বলে জানা যায়।

সেক্ষেত্রে নতুন মুখ জাতীয় পার্টির সমর্থিত আবু নাঈম ইকবাল ও সাবেক জেলা সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান মাসুম দুজনের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এ জেলা পরিষদ নির্বাচনে এমনই মন্তব্য করেন একজন সাবেক ইউনিয়ন সদস্য। তবে কে জয়ী হতে পারেন সে ব্যাপারে নিশ্চিত করতে পারেননি জনপ্রতিনিধি।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন