নারায়ণগঞ্জ-৪ (সিদ্ধিরগঞ্জ-ফতুল্লা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ.কে.এম শামীম ওসমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বাসের জায়গা সিদ্ধিরগঞ্জ। বাংলাদেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন আন্দোলনেই নারায়ণগঞ্জ প্রথমবার ঘন্টা বাজিয়েছে। এই নারায়ণগঞ্জ থেকে আবারো ঘন্টা বাজাবো। আন্দোলন করবেন করেন, ভোট চাইবেন চান, ক্ষমতায় আসবেন আসেন। কিন্তু আবার জ্বালাও পোড়াও তা হতে দেওয়া হবে না। সব সময় আপার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) কথা শুনেছি। এবার কিন্তু ওনি না করলেও ওনার কথা আর শুনবো না। এতোদিন অনেক সহ্য করছি আর না। ছাড় দেয়া হবে না। যেই লাশ গুলো দেখেছেন সেগুলো চোখের সামনে আনেন, আর এক হয়ে এগিয়ে আসুন। আমার শক্তির সবচেয়ে বড় উৎস হলো আল কোরআন।
শামীম ওসমান বলেন, আগামী ২৭ আগস্ট সমাবেশ করবো। ৪টা বাজে শুরু করবো ৫টা বাজে শেষ করে দিবো। বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকলে আমাদের কারোরই রাজনীতি করার কথা না। রাজনীতি করি তাই বুঝে কথা বলি। উনি এখন বাংলার প্রধানমন্ত্রী না, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী না, উনি আমাদের বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ। পাকিস্তানের পালার্মেন্টে দাঁড়িয়ে নেতারা বলে শেখ হাসিনার কাছে রাজনীতি শেখো। ২০০১ সালের ১৬ই জুন আমি কিছুই না, প্রধান টার্গেট ছিলো শেখ হাসিনা। জাতির পিতার কণ্যার কিছু হলে বিশ্বাস করেন এই দেশ বসবাসের যোগ্য থাকবে না।
সোমবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রেনুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ইয়াসিন মিয়ার সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মতিউর রহমান বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, প্রচার সম্পাদক তাজিম বাবু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও নাসিক ৫নং ওয়ার্ড পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আনিসুর রহমান ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, তাঁতী লীগ, কৃষকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবমহিলা লীগ নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মী সভায় শামীম ওসমান আরও বলেন, এই কয়েকদিন ধরে আমি খুব বেশি কথা বলছি। কথা গুলো কেন বলছি? কিছু পত্রিকায় দেখলাম লেখা হয়েছে শামীম ওসমান স্ট্যান্ডবাজি করতাছে। কেন? কারণ আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা করছি। জাতির পিতার কণ্যা বলেছেন চারদিক থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ২১‘শে আগস্ট যারা গ্রেনেড হামলা করিয়েছে ওদের সাথে আমার গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে, ওরা আমার বিয়াই লাগে! আমি সবাইকে অনুরোধ করবো আসেন একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি। নারায়ণগঞ্জে এতো বড় বড় নেতা, আমি তো সাধারণ কর্মী। আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হচ্ছে, বলুক। কিন্তু জাতির পিতার কন্যাকে নিয়ে কিছু বললে বসে থাকবো না। কে নামলো, কে নামলো না সেটা আমার দেখার বিষয় না।
শামীম ওসমান বলেন, ২০২৪ সালে নির্বাচন হবে। ইনশাআল্লাহ এইবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই হবে। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বললাম। যতই চক্রান্ত করেন, কিছুই করতে পারবেন না। সকলকে প্রস্তত থাকতে হবে। এবারের লড়াই হবে দেশকে বাচানোর লড়াই।