সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ সোমবার | ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সোনারগাঁয়ে চারাগাছ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেও স্বাবলম্বী হচ্ছেন

শুক্রবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২১ | ৫:০৮ অপরাহ্ণ

সোনারগাঁয়ে চারাগাছ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেও স্বাবলম্বী হচ্ছেন

সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকানে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল-ফল, বনজ, শাক-সবজির চারাগাছ বিক্রি করে অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করছেন। এ সমস্ত চারা তারা নিজস্ব উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে থাকে। বিক্রেতারা এ সমস্ত চারা গাছ কাঁচপুর, মদনপুর, নয়াপুর, মোগরাপাড়া, মেঘনা, সনমান্দি, পৌরসভা সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাট বাজারে এবং ভাসমান ভ্যানগাড়িতে করে বিক্রি করে থাকেন। বিক্রেতারা চারার আকার বেধে বিভিন্ন দামে নার্সারি থেকে পাইকারি এই চারা সংগ্রহ করে থাকেন। কাঁচপুর এলাকার ভ্যানগাড়িতে করে চারা বিক্রেতা সোহেল জানান, তিনি প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার চারাগাছ বিক্রি করে থাকেন। এতে তার প্রতিদিন খরচাপাতি বাদে হাজার টাকার মত থাকে। এ দিয়ে সে তার বাবা- মা, বৌ – বাচ্চা নিয়ে বেশ সুখের দিন যাপন করছেন। মোগরাপাড়া চৌরাস্তার শাহাবুদ্দিন মেম্বারের কাঁচা বাজারের চারাগাছ বিক্রেতা সেলিম মিয়া জানান, তিনি নরসিংদী থেকে পিকআপ দিয়ে চারাগাছ এনে বিক্রি করে থাকেন। তার কাছে সফেদা,কমলা, মালটা, বারোমাসি আম, লিচু, থাই আমড়া, নারিকেল সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ফল ও বনজ ঔষধি ও সবজির চারাগাছ পাওয়া যায়। তিনি প্রতিটি চারা অনেক যত্নসহকারে সংগ্রহ করে থাকেন। তার সংগ্রহে উচুমানসম্পন্ন চারাগাছ পাওয়া যায়। এই বাজারে তারা দুইজন মিলে এই চারাগাছ বিক্রি করে থাকেন। আর এর থেকে উপার্জিত টাকা দিয়ে তাদের সংসার চালিয়েও সঞ্চয় করা সম্ভব হয়। চারাগাছ বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ কালে জানা যায়, তারা ভাসমান ব্যবসায়ী দেখে তাদের কেউ ক্ষুদ্রঋণ দিতে চান না। তাই তাদের দাবি সরকারি ভাবে তাদেরকে ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে সহায়তা করলে তারা আরও ব্যবসারআকার বাড়াতে পারবেন। চারা বিক্রেতারা মনে করেন ব্যাপক আকারে চারাগাছ বিক্রি করতে পারলে ভবিষ্যতে দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন