নিজস্ব প্রতিবেদক,জিয়া প্রধান
আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের রাধানগর এলাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৩৯ ইং সালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাহার পিতার নাম আঃ গণি। চতুর্দিকে মেঘনা নদী পরিবেষ্টিত চর অঞ্চল কালাপাহাড়িয়ার মাটিতে তিনি ও তাহার ভাই মিয়া মোঃ এরশাদ উল্লাহ এই অঞ্চলের আলোকবর্তিকা হয়েই নাকি জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে অভিমত এলাকার মুরুব্বিদের।
১৯৫৫ ইং সনে তিনি নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। ছাত্র জীবনেই তিনি খুব মেধাবী, সাহসী এবং জ্বেদি প্রকৃতির ছিলেন। তৎকালীন আমলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছেন। চাকুরী জীবনে সমাজ সেবার উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সেন্টমার্টিন এর মতো চতুর্দিকে নদী বেষ্টিত কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার কথা চিন্তা করে অর্থাৎ শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়ার জন্য ওনারা ২ ভাই এলাকার মুরুব্বিদের নিয়ে একটি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। এবং ১৯৬৮ ইং সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তার বাস্তবায়ন করেন।
যা আজ কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় নামে দেশব্যাপী পরিচিত। এই স্কুলটি এখন মেধার খনি। তাহার চাকুরী জীবনে তিনি অনেক মানুষকে চাকুরী দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের মানুষ ওনাকে ভালোবেসে নোয়াব সাব বলে ডাকতো।
১৯৯৩ সালের ১৭ ই ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আজকের এই দিনে ৪ ছেলে ২ মেয়ে ও ১ স্ত্রী রেখে তিনি পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। পরবর্তীকালে ওনার স্ত্রীও মারা গেছেন। আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।