সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় মহিউদ্দিন নামের এক ব্যাক্তির জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২১ মে) দুপুরে নাসিক ১নং ওয়ার্ডের পাইনাদী নতুল মহল্লা এলাকায় উক্ত জমিকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী মো: মহিউদ্দিন পাইনাদী নতুল মহল্লা এলাকার মৃত. মো: হাবিব উল্লার ছেলে।
সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো: মহিউদ্দিন পৈত্রিক সূত্রে পাইনাদী নতুল মহল্লা এলাকায় (এস, এ) ২২৩ দাগ নং ও (আর. এস) ৪৪৭ নং দাগে সাড়ে ১৭ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছে। কিন্তু অভিযুক্ত মো: সিরাজুল ইসলাম গং ওয়ারিশ সূত্রে নিজেদের মালিকানা দাবি করে কিশোর গ্যাং, এলাকার চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী ও নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পেশি শক্তি খাটিয়ে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাতের আধাঁরে চারদিকে সীমানাপ্রাচীর দিয়ে উক্ত জমি নিজেদের দখলে নিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মো: সিরাজুল ইসলাম।
এদিকে সিদ্ধিরগঞ্জ সহকারী কমিশনার রাজস্ব সার্কেল (ভূমি) বরাবর নামজারীর একটি আবেদন করেন ভুক্তভোগী মো: মহিউদ্দিন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনারের নির্দেশে উক্ত জমি সরেজমিনে তদন্ত করে দাখিলকৃত কাগজপত্র অত্রাফিসে রক্ষিত রেকর্ডের সাথে মিল থাকায় ভুক্তভোগীর নামজারীর প্রস্তাব মঞ্জুর করেন সাবেক সহকারী কমিশনার সিদ্ধিরগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (ভূমি)। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নিজের নামে নামজারী করলেও অভিযুক্তরা উক্ত জমি নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মো: মহিউদ্দিন বলেন, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছি। হঠাৎ আমি অসুস্থ হয়ে পরলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক আমার জমি ওয়ারিশ দাবি করে দখল করার পায়তারা করে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানায় মিমাংসার জন্য গেলে সেখানে অভিযুক্তরা সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। অভিযুক্তরা বিএনপি করে তাই পেশি শক্তি ব্যবহার করে আমার জমি দখলে নিয়ে চারপাশে সীমানাপ্রাচীর দিয়ে রেখেছে। আমি এর প্রতিবাদ করতে গেলে বুধবার সকালে তারা ২০/২৫ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জমির সামনে মহড়া দিয়েছে। আমি অনেকটা নিরুপায় হয়ে গেছি।
এদিকে বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মো: সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি আদালতের রায় পেয়েছি। কিসের রায় জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে জানান তার কাছে সকল কাগজপত্র রয়েছে। এস. এ দাগ নং-২২৩ ও আর এস দাগ নং-৪৪৭ অনুযায়ী আপনার নামে নামজারী হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিরাজুল ইসলাম বলেন আদালতের রায় দেখে আমাকে নামজারী দেয়া হয়েছে। আর এস কালেকশন মামলা করবো বলেও জানান তিনি। ##