শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ শনিবার | ৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কালাপাহাড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে ১ কিলোমিটার দূরেই রমরমা জুয়ার আসর

মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩ | ১২:৩৩ অপরাহ্ণ

কালাপাহাড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে ১ কিলোমিটার দূরেই রমরমা জুয়ার আসর

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলছে রমরমা জুয়া ও মাদকের আসর। পুলিশ বলছে, বিষয়টি তাদের জানা নেই। তবে এলাকাবাসীর দাবি, পুলিশকে ম্যানেজ করেই প্রভাবশালীরা চালাচ্ছে জুয়া ও মদের আসর। সরেজমিনে দেখা গেছে, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এম ওবায়দুল ইসলাম বাদল এর বাড়ির পাশে ও কালাপাহাড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরেই চলছে এই রমরমা জুয়ার আসর।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানিয়েছেন, উপজেলার কালাপাহাড়িয়া গ্রামের সড়ক পাড়া এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী আনোয়ার, শহিদ,আসকর এর নেতৃত্বে রাত-দিন সকাল, সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে এ জুয়া ও মাদকের আসর। আড়াইহাজার উপজেলা ছাড়াও আশপাশের উপজেলা থেকে আসে জুয়া খেলার লোকজন। এদের অস্বাভাবিক আনাগো ও চলাফেরায় ওই এলাকার নারীরা সবসময় সম্ভ্রম হারানোর ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে থাকে। তারা জানায়, প্রতিদিন এখানে লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলা হয়।

জুয়ার নেশায় আসক্তরা এখানে এসে জুয়া খেলে। আর লাখ লাখ টাকা হেরে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরে। তারা জানায়, এ জুয়ার আসরে এক সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ জন বসে জুয়া খেলে। প্রত্যেক ব্যক্তি জুয়ায় ১ হাজার থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাজি ধরে টাকা জমা দেয়।

এ ব্যাপারে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মঞ্জুর হোসেন বলেন,আমি শুনেছি সেখানে জুয়া খেলার আসর বসে।তবে কাদের নেতৃত্বে ও কারা কখন বসে সেটা আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এম ওবায়দুল ইসলাম বাদলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি,ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে কালাপাহাড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি সঠিক হলে এটা দ্রুত বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন