সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ও চাঁদাবাজ সালাউদ্দিন ওরফে মদদী সালাউদ্দিন (৩৫) দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
নানা অপকর্মে জড়িত এবং বিতর্কিত এই সালাউদ্দিনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী।
বিভিন্ন অপরাধ ও অপকর্ম করে প্রয়সমই পত্রিকার শিরোনাম হতে দেখা গেছে ভূমিদস্যু, ফুটপাতের চাঁদাবাজ সালাউদ্দিনকে।
সম্প্রতি অন্যের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা ও পঞ্চাশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং অপহরণের পর হত্যার হুমকির ঘটনায় সালাউদ্দিনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ (অভিযোগ নং-৭৩১) দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী।
কিছুদিন পূর্বে সিদ্ধিরগঞ্জপুলস্থ ফুটপাতে চাঁদাবাজির ঘটনায় সালাউদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরবর্তীতে থানা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের তদবিরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়া পান চাঁদাবাজ সালাউদ্দিন।
অভিযুক্ত সালাউদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পাগলাবাড়ি এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।
সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বিতর্কিত নেতা
সালাউদ্দিন ওরফে মদদী সালাউদ্দিন ১৯৯৮ সালে একটি ট্রাক বোঝাই ভারতীয় কাপরের চালান ডাকাতি করে সিদ্ধিরগঞ্জের সিআই খোলা এলাকায় রাখেন। পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকার গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি পুলিশ সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে মালামাল উদ্ধার করেন। কাপড় উদ্ধার করলেও তার বেশ কিছুদিন পর কাপড় বহনকারী ঐ ট্রাকটি জয়দেবপুর থেকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে এখনো সেই ডাকাতি মামলা আাদলতে চলমান রয়েছে বলে গোপন সুত্রে জানা গেছে।
ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর ছয় মাসের সাজা হয় সালাউদ্দিনের। এসময় স্বীকারোক্তির জন্য সালাউদ্দিনকে ৭ দিনের রিমান্ডেও আনেন ডিবি পুলিশ। দীর্ঘ ছয় মাস পর জামিনে বেরিয়ে এলাকায় এসে ত্রাসের রাজত্ব শুরু করেন। তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে শুরু করে ভুমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি ও মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অংকের টাকা কামানোসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড।
অন্যদিকে সূত্রে আরও জানা যায়, এই সালাউদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোজাম্মেল ২০১২ সালে মিজমিজি পাগলা বাড়ী এলাকার বাবুলের বাড়ির ভাড়াটিয়া আশা সমিতির ম্যানেজারের মোবাইল চুরি করে থানা পুলিশের কাছে গ্রেফতার হন।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।