মফিজ উদ্দিন মুন্সী, শ্যামপুর রেজিস্ট্রি অফিসের, সভাপতি, সভাপতি হওয়ার পরে, শ্যামপুর,,রেজিস্ট্রি অফিস, জিম্বি করে রেখেছে, কারণ একই অফিসে, তার ফ্যামিলির নিজস্ব বাহিনী, ৮ থেকে ১২ জন, ওই একই অফিসে চাকরি করেন, মফিজের দুই শালী, এবং কদমতলী থানায়, ঘুরে তুলেছে, আলিশার আলিশান বাড়ি, সূত্র বলে, এই মফিজ এক সময়, আওয়ামী লীগের, সানজিদা খানমের, ‘কাছের আস্তানাভাজন ছিল, সেই সুবাদে, রাতারাতি হয়ে উঠে কোটিপতি, জীবি করে রেখেছে, শ্যামপুর রেজিস্ট্রি অফিস, কেউ কিছু বলতে পারতেছে না, জিম্বি তাদের হাতে, একই অফিস, দীর্ঘ 12 বছর যাবত, জিবি করে রেখেছে, এই মফিজ উদ্দিন মুন্সী, ও তার সাঙ্গোপাঙ্গল দল, কারো কথাই তারা মানে না, শ্যামপুর রেজিস্ট্রি অফিস যেন, মফিজের একটি, নিজের অফিস বলে চালান, কারণ একই অফিসে, ৮ থেকে ১২ জন লোক তার, এবং এই মফিজের নিজের পিএ তো আছে, দলিলের চিনি পরিবর্তন করে, জাল জালিয়াতির দলিল দিয়ে, কামিয়ে নিয়েছেন, কোটি কোটি টাকা, এই মফিজের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা, ঢাকায় হয়ে গেছেন কোটিপতি অফিস, কদমতলীর এক লোক বলেন, নাম না বলায়, এক সময় এই মফিজ উদ্দিন, ১৪০০ টাকার, টিম সেটের একটি রুমে ভাড়া থাকতেন, সেই মফিজ, কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়, যা দেখে সাধারণ মানুষ চিন্তিত, এই মফিজ এর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে, তাকে প্রাণ না শেখ হত্যার হুমকি দেওয়া হয়, এবং রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়, এই ধরনের কিছু ঘটনা আমাদের কাছে আছে, স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপির নেতার, নাম ভাঙ্গিয়ে, প্রতারণা করে, মফিজ নিজেও বলেন, আমি বিএনপি করি, আমার অনেক টাকা আছে, আপনাদের পত্রিকার দাম কত, আমাকে বলেন, এবং কুমিল্লার বিএনপি’র নেতার নাম ভাঙ্গায়, একটি দলিল মানুষের সারা জীবনের স্বপ্ন, সেখানেও যদি হতে হয় প্রতারণার শিকার, অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই মফিজ উদ্দিন, তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে, রুমের ভিতরে আটকে, লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে, যদি ওই শ্যামপুর অফিসে, তাদের কথামতো না শোনে, তাহলে সেই মানুষ রেজিস্ট্রি করতে পারেনা, কারণ মফিজের রয়েছে অনেক ক্ষমতা,, আইনে বলা আছে, যদি কেউ, জাল জালিয়াতি দলিল করতে রেজিস্ট্রি অফিসে আসে, তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া, কিন্তু, শ্যামপুর রেজিস্ট্রি অফিসে তা ভিন্ন, কারণ, জাল জ্বালিয়ে তুই দলিল আসলে, তাকে নিয়ে, নিচ তলায়, মফিজের রুমে ঢুকিয়ে, তাকে অত্যাচার করে, মারধরের পরে, ওই ভুক্তভোগীকে, বিভিন্ন ভয়ভর্তি দেখায়, তারপর তাদেরকে, কাছ থেকে, 5 থেকে 10 লাখ টাকার, বিনিময়, সাদা কাগজের সিগনেচার রেখে, ছেড়ে দেওয়া হয়, এই ধরনের অনেক ঘটনায় শ্যামপুর রেজিস্ট্রি অফিসে ঘটে, কারণ, মফিজের রয়েছে, দীর্ঘ 12 বছর ধরে, একই শাসন, আশেপাশের দোকানদার ও অফিস স্টাফরা বলেন, মফিজ মানি এক আতঙ্কের নাম, যদি আপনারা, অনুসন্ধান করেন, এরিয়া আসবে এই মফিজের আসল রূপ, আরো জানা যায়, মেয়েলী ব্যাপারে রয়েছে মফিজের অশ্লীল কিছু ঘটনা, তাই স্থানীয় লোকের দাবি, বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন দুদকের, হস্তক্ষেপ খুব জরুরী, এদের মত মফিজের হাত থেকে, শ্যামপুর রেজিস্ট্রি অফিসকে রক্ষা করা খুব জরুরী, ছবি ও ভিডিও নিয়ে আসছি আগামী সংখ্যায়,