নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে নাসিক ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বর্তমান ঘুড়ি প্রতিকের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম মেম্বার বলেন, আমার জনপ্রিয়তা দেখে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। স্থানীয় একটি কুচক্রি মহল সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপকৌশলের অংশ হিসেবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও গুজব রটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। একটি কুচক্রি মহল আছে বিভিন্ন সময় আমার জনপ্রিয়তায় ও আমার কার্যক্রম দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা চায় না আমি ১নং ওয়ার্ডের মানুষের জন্য ভালো কিছু করি। তারা ষড়যন্ত্র করে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের মিথ্যে তথ্য দিয়ে ‘মিজমিজি পাইনাদী রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয় এতিমদের সম্পত্তি দখলে নিয়ে স্কুলে দান, নিজেকে দাতা হিসেবে পরিচয় দেন কাউন্সিলর প্রার্থী রহিম মেম্বার’ শিরোনামে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ করে। যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়। মুলত ১৯৯০ সালে হাজী মোন্তাজ উদ্দিন মাদবর, মো. শুক্কুর আলী মাদবর, মো. আমীর আলী, মো. নাজিম উদ্দিন, মো. ইব্রাহীম, মো. ইস্রাফীল, মো. হাবিবুল্লাহ, আব্দুল রহিম মেম্বার, মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. ইউসুফ মিয়া স্কুলের নামে ৪০ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি করে দেই। রেজিষ্ট্রিদাতাগণদের মধ্যে আমিও একজন রয়েছি। সংবাদটিতে উল্লেখ করা হয়েছে মিসির আলীর জমি আমি দখল করে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে আমি দাতা সদস্য হই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সংবাদ পরিবেশনের আগে কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করে নাই। যোগাযোগ করলে স্কুলের জমির সব নথি দলিল আমি তাদেরকে তথ্য প্রমানসহ বুঝিয়ে দিতাম। সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরুধ আপনারা জাতির বিবেক আপনারা লিখেন তবে জাচাই-বাছাই করে সত্য যে বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠু সংবাদ প্রকাশ করে জনতার সামনে উপস্থাপন করেন। আমার প্রতি মানুষের ভালোবাসা দেখে একটি চক্র নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।