নিজস্ব প্রতিবেদক : সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডে র্যাব ও পুলিশের নাম ভাঙ্গীয়ে করিবেব চাঁদাবাজি। র্যাব ও থানা পুলিশ ম্যানেজ করার কথা বলে কবির ও কামাল হোসেন মাসুদ ওরফে কাইল্লা মাসুদের নেতৃত্বে বিভিন্ন পরিবহন স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দোকান থেকে চঁাদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ জানান পরিবহন শ্রমিক ও ফুটপাত ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, সাইনবোর্ড এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা ও সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে কবির মাসে কমপক্ষে ৫ লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করছে। কবিরের নেতৃত্বে সাইনবোর্ড এলাকায় মাসুদ ওরফে সিএনজি মাসুদ, কামাল ওরফে সিএনজি কামাল, হাজাঙ্গীর ওরফে অটোজাহাঙ্গীর,আলমগীর, রেজু, মঞ্জু, সেলিম ও লিটু চাঁদাবাজি করছে। চাঁদা আদায়ের অভিযোগে র্যাব-১১ কবির ও তার সহযোগী জাহাঙ্গীর এবং হাবিবকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে কবির র্যাব ও থানা পুলিশকে ম্যানেজ করার কথা বলে ফের চাঁদাবাজি শুরু করেছে। চঁাদাবাজির পাশাপাশি এচক্রটি মহাসড়কে ছিনতাই ডাকাতিও করছে। রহস্যজনক কারণে র্যাব ও পুলিশ এসব চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করছেন না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কবির ও কাইল্লা মাসুদের নেতৃত্বে সঙ্গবদ্ধ চঁাদাবাজ চক্র ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের পাশে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা বহু ফুটপাত দোকান উচ্ছেদ করে সিএনজি, ইজিবাইক ও অটোরিকশার স্ট্যান্ড বানিয়ে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করছে। এসব অবৈধ স্ট্যান্ডে মোটা অংকের অগ্রিম ও মাসিক ভাড়ায় বিভিন্ন ফুটপাত দোকান বসিয়েছে। সাইনবোর্ড মোড় ডগাইর সড়কের ব্রিজের পাশে সরকারি জায়গায় দখল করে বাজার বসিয়ে চাঁদাবাজি করছে চক্রটি। এসব দোকানপাটে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে দৈনিক ২’শ টাকা করে বিল নিচ্ছে চঁাদাবাজ কবির বাহিনী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিএনজি, ইজিবাইক ও অটোরিকশা চালকরা জানায়, দীর্ঘ দিন যাবত কবির ও কাইল্লা মাসুদের নেতৃত্বে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। সিএনজি ও ইজিবাইক থেকে দৈনিক ১’শ টাকা অটোরিকশা থেকে ৫০’টাকা করে চাঁদা নিচ্ছে কবিরের লোকজন। কবিরকে র্যাব গ্রেপ্তার করার পর কিছুদিন চাঁদাবাজি বন্ধ ছিল। আদালত থেকে জামিনে বের হয়েই চাঁদাবাজি শুরু করে। চাঁদা না দিলে মারধর করা হয়।
এবিষয়ে কবিরের সাথে যোগাযোগ করতে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার একাধিকবার ফোন করলে রিং হলেও তিনি রিসিভ করেননি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান পিপিএম বার বলেন, সাইনবোর্ডে কবির নামে কোন চাঁদাবাজকে আমি চিনিনা। পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির করার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।