শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ শনিবার | ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১২ লাখ টাকা চাঁদা পেয়েও খুশি নন টিআই শরফুদ্দিন

মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২ | ৯:০৪ অপরাহ্ণ

১২ লাখ টাকা চাঁদা পেয়েও খুশি নন টিআই শরফুদ্দিন

সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারী গণপরিবহনে হাইওয়ে পুলিশের টিআই একে এম শরফুদ্দিনের লাগামহীন চাঁদাবাজি। আগে সড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে চাঁদা তোলা হত। এখন গোপনে চাঁদা দিয়ে আসতে হয়। সময়মত চাঁদার টাকা না দিলে মামলা ও গাড়ি ডাম্পিং করা হচ্ছে। পরিবহন মালিকদের অভিযোগ, হাইওয়ে পুলিশের টিআই একে এম শরফুদ্দিন (প্রশাসন) যোগদান করার পর থেকেই বেড়েছে চাঁদার অংক।

অভিযোগ রয়েছে, চাঁদাবাজির সবচেয়ে বড় খাত পরিবহন সেক্টর। পুলিশ ও বিভিন্ন পরিবহন শ্রমিক সংগঠন মিলে করছে চাঁদাবাজি। পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড ও শিমরাইল মোড়। এই দুইটি পয়েন্টে পরিবহন চাঁদাবাজি বহু দিনের পুরনো। মহাসড়ক যত বড় হচ্ছে পরিবহন সংখ্যাও তত বাড়ছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাঁদাবাজি।

মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে চাঁদাবাজির সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ টিআই হিসেবে শরফুদ্দিন যোগাদান করার পর। তিনি এসেই চাঁদাবাজির কৌশল ও অংক বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ।

পরিবহন মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারি বন্ধু পরিবহন থেকে মাসে ২০ হাজার, নাফ এক্সপ্রেস প্রাইভেড লিমিটেড ২০ হাজার, মুক্তিযোদ্ধা পরিবহন ১৩ হাজার, যুবকল্যাণ পরিবহন ২০ হাজার, মদিনার পথে পরিবহন ২০ হাজার, পায়রা পরিবহন ১৭ হাজার, দূরন্ত পরিবহন ২০ হাজার, আদমজী কোমল মিনিবাস ১৩ হাজার, সুগন্ধা পরিবহন ২০ হাজার, মঞ্জিল পরিবহন ২০ হাজার, সময় পরিবহন ২০ হাজার, হানিফ পরিবহনের চারটি শাখা ২৩ হাজার, শান্তি পরিবহন ৪০ হাজার, ইউনিক পরিবহন ১০ হাজার, মামুন পরিবহন ৭ হাজার, দিগন্ত পরিবহন ১০ হাজার, এসআলম পরিবহনের চারটি ইউনিট ২১ হাজার দেশট্রাভেল পরিবহন ৬ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন পরিবহন থেকে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা মাসিক চাঁদা নিচ্ছেন টিআই শরফুদ্দিন। তার পরও তিনি খুশি নন। তার আরো বেশি লাগবে। চাঁদা না দিলে গাড়ির মালিকদের সাথে তিনি অসদাচরণ করেন এমন বহু অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে টিআই শরফুদ্দিন বলেন, এ বিষয়টি সঠিক না। আমি একটু পরে আপনার সাথে কথা বলব বলে ফোনটি কেটে দেন।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন