বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ বুধবার | ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২০ | ১:০১ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জের ডাক.কম ; ১৫ আগস্ট ২০২০ শনিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সানজিদা খানমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল হাই,সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ মোঃ বাদল, চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল প্রমুখ। এ সময় ভার্চুয়ালে যুক্ত হন নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাবেক তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ, নারায়ণগঞ্জ কমার্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শিরিন বেগম। প্রফেসর ড. শিরিন তার বক্তেব্যে সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন,তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ৩০ লক্ষ বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা যাদের রক্তের বিনিময়ে এবং আড়াই লক্ষ মা বোনদের ত্যাগের বিনিময়ে এই মহান স্বাধীনতা অর্জিত হয়, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার স্বরচিত কবিতা-“শোকাহত ১৫ আগস্ট” পাঠ করেন-

স্বজন হারা বঙ্গ কণ্যা-

১৫ আগষ্ট এর নির্মম হত্যাকান্ডে-

বিধাতার মহিমায় বেঁচে গিয়ে প্রতিহত করলে-

সোনার বাংলাকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে

মুছে ফেলার অপপ্রয়াস।

বঙ্গবন্ধুর প্রয়াণে –

চলছিল সাম্প্রদায়িকতার হোলিখেলা,

আল বদর, আল শাম্স্ এর ক্ষমতা দখল

আর লুঠতরাজ।

সেই ক্ষণে কান্ডারী হয়ে হাল ধরেছিলে –

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে দু:খী মানুষের –

পাশে দাঁড়ানোর-দৃপ্তশপথে।

ইনডেমনিটির মত ঘৃন্য আইন ও –

শত প্রতিকূলতায় জাতির জনকের হত্যাকারী –

আর যুদ্ধাপরাধীদের রায় কার্যকর করে

করেছো কলঙ্কমুক্ত – প্রতিষ্ঠিত করেছো গণতন্ত্র –

এনেছো ন্যায়ের পথে,

পরিবারের সকল কে হারিয়ে শোককে-

ধারণ করেছো শক্তিতে।

সভা সমাবেশে-

শিশুদের মাঝে খুঁজে ফির-

প্রাণ প্রিয় ছোট ভাই শেখ রাসেলকে ।

বর্ষিয়ান নারীদের বুকে জড়িয়ে-

খুঁজে পেতে চাও গর্ভধারিণী মা-

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুনন্নেছাকে ।

বৃদ্ধদের মাঝে-অসহায়ের মত-

অপলক তাকিয়ে থাকো-

খুঁজে ফির, পিতা-জাতির পিতা-

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ।

যুবকের মাঝে খুঁজে বেড়াও-

আদরের ভাই শেখ কামাল-

শেখ জামালকে ।

খুঁজে ফির খেলার মাঠে-

বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামে-

ভ্রাতৃবধূ-আমাদের সকলের প্রিয়-

সুলতানা কামালকে ।

মেহেদী রাঙানো হাতে-

বধূ বেশে আসা-ভ্রাতৃবধূ-

ঘাতকের হাতে-

অন্ত:সত্ত্বায় প্রাণ হারানো

রোজী জামালকে ।

সকলের মাঝে তোমার হারিয়ে যাওয়াকে-

খুঁজে পেতে চাও বলে-

তুমি-এতো ভাল বেসেছো বাঙালিকে-

এই বাংলাকে ।

যার মূল্য একদিন বাঙালি বুঝবে-

যেমন বুঝেছে হারিয়ে-

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ।

বাঙালির রক্তের ঋণ শোধিতে

আড়াই লক্ষ মা বোনের ত্যাগ আর –

ত্রিশ লক্ষ বীর শহীদের রক্তের স্রোতের সাথে-

যাঁর পরিবারের রক্ত মিশে হয়েছে একাকার-

হয়েছেন যিনি মহীয়ান-

যাঁর বজ্র কণ্ঠ আজও ইথারে অম্লান

সে-যে-সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি-

কিংবদন্তী জাতির জনক-

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন