আড়াইহাজার প্রতিনিধি: আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের হাজিরটেক গ্রামের মানিক পাশার পরিবারে চলছে শোকের মাতম। গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে পরিবারের ৩ সদস্যের প্রত্যেকের শরীরের ৫০-৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীর্ঘ ৬ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মানিক পাশার স্ত্রী মানছুরা আক্তার (৩৫) মৃত্যুবরণ করেন। এর ঠিক দুই দিন পর না ফেরার দেশে চলে গেলো তাঁর স্কুলপড়ুয়া ছোট ছেলে আরিয়ান (৮)। তার শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে। প্রায় ৩০ শতাংশ অগ্নিদগ্ধ শরীরে বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মানিক পাশার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে আনিকা (১২)।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সোনারগাঁওয়ে ভাড়া বাসায় গ্যাস সিলিন্ডারের জমে থাকা গ্যাসের আগুনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
সৌদি প্রবাসী মানিক পাশার দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সোনারগাঁ প্রতাপের চর এলাকায় তার স্ত্রী ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে আসলে পুরো ঘরে আগুন ধরে যায়। এসময় ঘরে থাকা তিন জনই অগ্নিদগ্ধ হন। বড় ছেলে কলেজে থাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পরদিন প্রবাস থেকে স্ত্রী সন্তানদের পাশে ছুটে আসেন মানিক পাশা। কিন্তু স্ত্রী ছেলেকে শেষ রক্ষা করতে না পেরে নির্বাক মানিক হাউমাউ করে কাঁদছেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।