মঙ্গলবার, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ মঙ্গলবার | ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আড়াইহাজার থানা থেকে পালানো হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি পূণরায় গ্রেফতার

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬ | ২:৫৬ অপরাহ্ণ

আড়াইহাজার থানা থেকে পালানো হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি পূণরায় গ্রেফতার

বিশেষ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার আসামি থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর পুণরায় তাকে ড়গ্রফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আড়াইহাজার থানা থেকে আসামী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি জানাজানি হয়। এর আগে সোমবার (৩০ মার্চ) এই ঘটনা ঘটে। পলায়নকৃত আসামি হলেন আড়াইহাজার থানার চরকমলাপুর এলাকার হাবিবুল্লাহর ছেলে ইসমাঈল (৩০)।

এর আগে আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের চরকমলাপুর এলাকায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ২৩ ও ২৪ মার্চ ধারালো অস্ত্রসহ সশস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার চরকমলাপুর এলাকার আফর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩৭), মাহাবুল্লাহর ছেলে মাছুম (৩৫), মৃত আব্দুল করিমের ছেলে ইয়াহিয়া (৫০), মোরতব আলীর ছেলে ইয়ানুছ (৪০), হাবিবুল্লাহর ছেলে ইসমাঈল (৩০), আমির আলীর ছেলে জালাল (২৮), আব্দুল করিমের ছেলে জাকারিয়া (৪৮), ইউনুসের ছেলে ইয়াছিন (২০), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে হাবিবুল্লাহ (৬০), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে মাহাবুল্লাহ (৫৫), মোহাম্মদের ছেলে রোমান (২৬), তারা মিয়ার ছেলে সবুজ (৩০) এবং জাকারিয়ার ছেলে জুয়েল (২২) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন।

মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি ইসমাঈলকে (৩০) গ্রেফতার করে বলে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী নিশ্চিত করেছেন। তবে পরবর্তীতে তিনি থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, আসামি ইসমাইলকে গ্রেফতার করে থানায় আনেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার। পরে সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের রুমে বসালে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় ইসমাইল। থানার সিসিটিভি ফুটেজেও এর প্রমাণ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার জানান, তাকে থানায় ডাকা হয়েছিল। কথাবার্তা শেষে তিনি চলে যান। আমি থানায় গিয়ে তাকে পাইনি। এমনটা হতে পারে যে সে হয়ত পুলিশকে দেখে দৌড়ে পালিয়ে গেছে। আমরা অভিযান চালাচ্ছি। তাকে যেকোনো মূল্যে গ্রেফতার করবো।

তবে অভিযুক্ত এসআই জহিরুল ইসলাম বলেন, এমন কোনো কিছু আমার জানা নেই।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, ঘটনাটি সকালেই জানতে পেরেছি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর পর মঙ্গলবার রাতে তাকে উচিৎপুরা বাজার থেকে পূনরায় গ্রেফতার করে পুলিশ।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন