নিজস্ব সংবাদদাতা।। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একদিনে পাঁচ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে চারটি। এছাড়া কোমল মিনিবাসের হেলপারের লাশ উদ্ধার হয়েছে গাড়ির ভেতর থেকে।
শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং এলাকায় নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে লুৎফর রহমান জনি নাম এক যুবক।
৩৫ দিন আগে একই ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছিলের তার স্ত্রী এক সন্তানের জননী স্বর্ণা।
নিহত লুৎফর রহমান জনি আটি হাউজিং এলাকার প্লট ও ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সভাপতি আউয়াল মিয়ার ছেলে।
অপরদিকে শনিবার ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জে সুমিলপাড়ার জহির মিয়ার বাড়ির তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়া সাজ্জাদ হোসেনের স্ত্রী নাসরিন আক্তার (২৪) ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জে ওয়াপদা এলাকায় গলায় ফাঁস দিয়ে হাসিনা আক্তার (২৭) নামের এক গৃহবধূর আত্মহত্যা ঘটনা ঘটে। নিহত হাসিনা আক্তার রূপগঞ্জের নুর ইসলামের মেয়ে। সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জের ওয়াপদা কলোনি এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জে আটি হাউজিংয়ে বারান্দায় কাপড় সুকানু রশি দিয়ে খেলতে খেলতে গলায় ফাঁস লেগে স্বাধীন (১১) শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আটি হাউজিং এলাকার ৭ নম্বর রোডের জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়ির ৬ তলার ভাড়া বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ওই শিশুর বাবা রাজমিস্ত্রি এবং মা গৃহকর্মীর কাজ করেন। প্রতিদিনের মতো তাকে তার নানির কাছে রেখে তারা কাজের উদ্দেশ্যে বারিয়ে যান। বিকেলের দিকে সে বাসার বারান্দায় খেলার ছলে কাপড় শুকানোর রশি পেঁচিয়ে ঝুলতে চেয়েছিল। এ সময় রশির সাথে গলায় ফাঁস লেগে তার মৃত্যু হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, সন্ধ্যায় গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ওই গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কোনো ঝামেলা থেকে হয়তো আত্মহত্যা করতে পারে । ময়নাতদন্তের আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের লাশটি নারায়ণগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরো পাঁচটি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে। সবকয়টি ঘটনার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।