নারায়ণগঞ্জের ডাক | logo

৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং

ফতুল্লায় মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে রান্না ঘরের গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন লাগার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন বাবা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।

প্রকাশিত : নভেম্বর ২২, ২০২০, ২২:১৬

ফতুল্লায় মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে রান্না ঘরের গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন লাগার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন বাবা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে রান্না ঘরের গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন লাগার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন বাবা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ মায়ের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।শনিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।নিহতরা হলেন- দীপায়ন সরকার (৩৫) ও তার মেয়ে দিয়া রানী সরকার (৫)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন মা পপি সরকার (২৮)।মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দিবাগত রাতে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর সরদার বাড়ি এলাকার আনোয়ার হোসেনের ভাড়া বাসায়।এদিকে সকালে পরিবারের লোকদের বরাত দিয়ে পুলিশ জ্বলন্ত সিগারেট থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যুও কথা জানালেও নিহত দিপায়নের বড়বোনের জামাতা সুসেন সরকার বলেছেন, গ্যাস লাইটার দিয়ে মশার কয়েল জ্বালানোর সময় আগুন লেগে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। রান্নাঘরের গ্যাসের চুলা ভালোভাবে বন্ধ না করায় পুরো ঘরে গ্যাস ছড়িয়েছিল। ফলে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরে।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধ পপি সরকারের বরাত দিয়ে সুসেন সরকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, মধ্য রাতে গ্যাস লাইটার দিয়ে মশার কয়েল ধরাতে গেলে রুমের মধ্যে আগুন লেগে যায়। এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে আগুন নিভিয়ে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।ডাক্তারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, দীপায়নের শরীরের ৪৮ শতাংশ, দিয়ার ৪০ শতাংশ ও পপির ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। মূলত তাদের মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।সুসেন সরকার আরও বলেন, মাত্র ১০ দিন আগে গ্রাম থেকে পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে আসে তারা। কয়েক জায়গায় কাজের জন্য কথাও চলছিল। এর মধ্যে কীভাবে কি হয়ে গেল কিছুই বুঝতে পারছি না।তিনি বলেন, এক তলা ভবনের এক রুমের একটি বাসা নিয়েছিল তারা। পাশেই রান্না ঘর ছিল। হয়তো রান্না শেষে গ্যাস ভালো ভাবে বন্ধ করেনি। যার জন্য লিকেজ হয়ে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে ছিল। যখনই গ্যাস লাইটটা দিয়ে কয়েল ধরাতে গেছে তখনই ঘরে আগুন জ্বলে ওঠে।ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আগুনে পরিবারের ৩ জনই দগ্ধ হয়েছেন। বাড়ির পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে এসে তাদের ৩ জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে দীপায়ন সরকার ও তার মেয়ে দিয়া রানী সরকার মারা যায়। পপি সরকারের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




মোবাইলঃ 01317838887
ইমেইলঃ narayanganjerdak@gmail.com