ফাহাদুল ইসলাম সোনারগাঁ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে অবৈধ পন্থায় সরকারি জমি ও খাল দখল করে ভূমিদস্যুর ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে সহদর দুই ভাই আশাবুদ্দিন ও শাহাবুদ্দিন। তারই যোগান দিয়ে যাচ্ছে সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার মুজিবুর রহমান ও বর্তমান মেম্বার ও মোগরাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। তাদের কে ম্যানেজ করে সরকারি জমি ও খাল দখল করে কোম্পানি নির্মানের অভিযোগ উঠেছে।
সোনারগা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ান উল ইসলাম সত্যতা যাচাই করে ২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি জমি ও খাল দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছে আপন দুই ভাই আশাবুদ্দিন ও শাহাবুদ্দিন। এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হাত করে স্থানীয় সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শত শত বিঘা জমি অবৈধভাবে দখল করে নিয়ে কোম্পানি নির্মাণের পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দুই মেম্বার এর সহায়তায় উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড কাবিলগন্জ ও ভিন্নিপাড়া সহ আশেপাশের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খাল দখল করে নিয়েছে বাসমাহ এনজিও সংস্থা ও সহোদর দুই ভাই। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
ইউপি সদস্য আবুল কালাম মোটা অংকের টাকা পেয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেও এসব দেখেও না দেখার ভান করছে এলাকাবাসীর দাবি। শুধু তাই নয়, কাবিলগন্জ ও ভিন্নিপাড়া গায়ের নিরিহ লোকজনের ফসলি জমি দখলের অভিযোগের পর ও দুই ইউপি সদস্য নিরব। সরকারি জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও সরকারি খাল দখলের কোন প্রতিবাদ নাই তাদের। উল্টো তাদের সাথে একটেবিলে বসে চা নাস্তার আড্ডায় দেখা যায়। এলাকাবাসীর দাবি তাদের কে মোটা অংকের টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ওই এালাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী জানান, ভিন্নিপাড়া ব্রীজের নিচের উত্তর দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিম পাশে সহোদর দুই ভাইয়ের জায়গা
হওয়াতে প্রবাহিত খাল ভরাট করে একেবারে অকার্যকর করে রেখেছে।
ফলে স্থানীয়রা অভিযোগ করলে একাধিকবার উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও ভূমি অফিসারের সার্ভেয়ার এসে মাপজোক করে জানান, ওই জমি সরকারি খালের। তাদের কে সরকারি খাল উদ্ধারে নির্ধারিত সময় বেঁধে দেয়ার পর ও বহাল তবিয়তে আছে। কারো কথায় কর্ণপাত না করে একেরপর এক ফসলি জমি ও খাল দখল করে যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় মেম্বার ও উপর মহলের যোগসূত্রে এ খমতা দেখিয়ে জুরজোলোম করে যাচ্ছে সহোদর দুই ভাই।
এবিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার রেজওয়ান -উল- ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমরা তাদের সরকারি জমিও খাল দখল মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছি অবিলম্বে তা দখলমুক্ত না করলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হব। কোনভাবেই সরকারি জমিও খাল দখল করতে কাউকে দেওয়া হবে না। এ ছাড়াও আরো জানান জনপ্রতিনিধিরা সরকারের একটি অংশ তারা এ বিষয়ে সচেতন থাকবে ও অবৈধভাবে জমি ও খাল দখলের প্রতিবাদ করবে এমনই আস্থা রাখি তাদের প্রতি কিন্তু ভূমিধস্যদের পক্ষ হয়ে কাজ করা এটি বড় দুঃখজনক।