নিজস্ব প্রতিবেদক;৷ ফতুল্লায় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী এবং তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে নানাভাবে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে এক লেডি সন্ত্রাসীসহ তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। প্রতিনিয়ত ঐ লেডি সন্ত্রাসী ফাতেমা বেগম লাইলী এবং তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা ইলিয়াস মাদবর নামক এক নীরিহ ব্যাক্তিকে বাড়ী ছেড়ে দেয়াসহ সকল সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য হুমকি ধামকিসহ চাপ প্রয়োগ করে আসছে।
লেডি সন্ত্রাসী ফাতেমা বেগম লাইলির কথামত ইলিয়াস মাদবর বাড়ী লিখে দিতে রাজী না হওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তার ছেলে। এমনকি লেডি সন্ত্রাসী লাইলী বেগম ফতুল্লা মডেল থানায় ইলিয়াস মাদবরের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান।
এদিকে, ৮ (নভেম্বর) মঙ্গলবার সকালে পূনরায় লেডি সন্ত্রাসী লাইলী বেগমসহ তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা ইলিয়াস মাদবরের বাড়ীর ভিতরে অনাধিকারভাবে প্রবেশ করে এবং পূনরায় সকল সম্পদ লিখে দেওয়ার জন্য ইলিয়াসকে চাঁপ প্রয়োগ করতে থাকে। ইলিয়াস মাদবর লেডি সন্ত্রাসী লাইলীর কথায় রাজী না হওয়ায় পূনরায় ইলিয়াস মাদবরকে শারীরিকভাবে লাি ত করে।
এ সময় ইলিয়াস মাদবরের ডাক চিৎকারে পাশ্ববর্তী এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে লেডি সন্ত্রাসী লাইলী এলাকাবাসীর রোষানালে পড়েন এবং অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা সটকে পড়েন। স্থানীয় সাধারন মানুষের রোষানাল থেকে বাচঁতে সরকারী জরুরী সেবায় ৯৯৯-নাম্বারে ফোন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হয় বলে স্থানীয় সাধারন মানুষ অভিমত ব্যক্ত করেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে লেডি সন্ত্রাসী লাইলীর চুুতরতার বিষয়টি স্থানীয় এলাকাবাসী এবং পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে চলে আসে। পরবর্তীতে ইলিয়াস মাদবরের উপর হামলার ঘটনায় তার দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান ইমতিয়াজ হাসান জামিন বাদী হয়ে ঐ দিনই মঙ্গলবার বিকালে লেডি সন্ত্রাসী ফাতেমা বেগম লাইলী বেগমমের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে ইমতিয়াজ হাসান জামিন উল্লেখ্য করেন, ফতুল্লার শিয়াচর হাজী বাড়ী এলাকায় তার পিতা ইলিয়াস মাতব্বরসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বসবাস করে আসছেন। ২০০৭ সালে লেডি সন্ত্রাসী ফাতেমা বেগম লাইলীকে তার পিতা ইলিয়াস মাদবর ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পার হতেই লাইলী বিভিন্ন সময়ে সাংসারিক বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়া ঝগড়া বিবাদের মাধ্যমে তার পিতাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছে। এমনকি তুচ্ছ বিষয়াদি নিয়ে বিভিন্ন সময় খারাপ আচরণ সহ ঝগড়া বিবাদ করতঃ তার পিতার কাছে অযৌক্তিক দাবী করায় তার বৃদ্ধ ইলিয়াস মাতাব্বর অসহ্য যন্ত্রনার মধ্যদিয়ে দিনানিপাত করতে থাকে।
এক পর্যায়ে চলতি বছরের গত ২১ অক্টোম্বর লাইলী বেগমকে ইসলামিক সকল নিয়াম নীতির মাধ্যমে তালাক প্রদান করেন। এরপর থেকে লাইলী বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে ইলিয়াস মাতবরসহ তার পরিবারের লোকজনদের বিরুদ্ধে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একেরপর এক মিথ্যা অভিযোগ করে আসছে। আমিসহ আমার বৃদ্ধ পিতা এবং পরিবারের লোকজনদেরকে ফাঁসানোর অসৎ উদ্দেশ্যে আমাদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় ১টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় ইলিয়াস মাতবর এবং অন্যান্য আসামিরা জামিন নেওয়ার পরই উল্লেখিত লেডি সন্ত্রাসী লাইলী বেগম আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৮ (নভেম্বর) মঙ্গলবার সকালে লেডি সন্ত্রাসী লাইলীসহ তার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আমাদের বসত বাড়ীতে অনাধিকারভাবে প্রবেশ করেন এবং কিছু বুজে উঠার আগেই হামলা চালান। হামলায় সে সহ তার পরিবারের ৪জন আহত হয়েছে। এসময় ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। লেডি সন্ত্রাসী লাইলী বেগম এলাকাবাসীর রোষানাল থেকে বাঁচতে উল্টো পুলিশী জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে হয়রানীর চেষ্টা করে।
এ সময় এলাকাবাসীর কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পর পুলিশ আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিলে এ ঘটনায় লেডি সন্ত্রাসী লাইলি বেগমের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপ-পরিদর্শক) হুমায়ুন কবীর-২ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।