মঙ্গলবার, ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজ মঙ্গলবার | ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
উদ্ধার হওয়া ৭ টুকরো মরদেহের পরিচয় মিলেছে, প্রেম ঘটিত বিষয় নিয়ে এ হত্যাকান্ড

রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনায় নারী গ্রেফতার, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪ | ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ

রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনায় নারী গ্রেফতার, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

সোহেল কবির স্টাফ রিপোর্টার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরের একটি লেক থেকে উদ্ধার হওয়া ৭ টুকরো মরদেহের পরিচয় মিলেছে। তার নাম জসিম উদ্দিন মাসুম। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সস্তাপুর এলাকার মৃত হাজী আলেক চাঁন বেপারির ছেলে। তিনি বর্তমানে ঢাকার ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন। স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিত্বে গত (১৩ নভেম্বর) বুধবার সকালে উপজেলার পূর্বাচল উপ-শহরের ব্রাক্ষ্মনখালী লেক থেকে ৭ টুকরো মরহেদটি উদ্ধার করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। প্রেম ঘটিত বিষয় নিয়ে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় রুমা আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রুমা আক্তারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাপাতি, হেসকো ব্লেড, সাফারি ও স্যু উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রুমা আক্তার ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর থানার তারাকান্দা এলাকার নজর আলীর মেয়ে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার । পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার জানান, গত বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে পুর্বাচল উপশহরের ৫নং সেক্টরের লেকের পাড়ে বস্তা বন্ধি অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান বস্তায় বন্ধি অজ্ঞাত পুরুষের বিচ্ছিন্ন মাথা, দুইটি হাত, বিচ্ছিন্ন দুটি পা, বিচ্ছিন্ন বুকের পিছনের অংশ, ধারালো অস্ত্র ধারা বিচ্ছিন্ন পেটের ভুরি, ফেপসা, কলিজা ও দেহের অন্যান্য অংশ একটি সাদা পলিথিনে মোরানো অবস্থায় পড়ে আছে। পরে সুরোত হাল রিপোর্ট তৈরি করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। পরে এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় ও আশপাশের অন্যান্য জেলা মেট্রোপলিটন ডিসিস্ট সনাক্তের জন্য ফ্যাক্স বার্তা বেতার প্রেরণ করা হয়। ডিসিস্ট এর আতœীয় স্বজনদের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করে জানা যায় তার নাম জসিম উদ্দিন মাসুম। তিনি একজন ব্যবসায়ী। ঘটনার ব্যপারে জসিম উদ্দিন মাসুমের গাড়ি চালক মালেক মিয়ার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় পুলিশের একটি টিম সিসিটিভি ফুটেস সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সন্দিগ্ধ আসামী সনাক্ত করেন। পরে হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী রুমা আক্তারকে কাফরুল শেওড়াপাড়া আসামীর ভাড়াটিয়া বাসা থেকে গ্রেফতার করে। আসামী রুমা আক্তারকে নিয়ে তার তথ্য দেয়া মতে অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি, একটি হেসকো ব্লেড, ব্যবসায়ী জমিম উদ্দিন মাসুমের পড়নের সাফারি, এক জোড়া স্যু উদ্ধার পুর্বক জবানবন্ধি নেয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রেম ঘটিত বিষয় নিয়ে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়ি অন্যন্যা আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন