ফতুল্লার কাশীপুরে বিয়ের প্রলোভরে এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ধর্ষকের নাম তাসহিন সাদ (৩০)। ঘটনাটি ঘটেছে ফতুল্লা থানার কাশিপুর ইউনিয়নের ফরাজিকান্দায়। অভিযুক্ত ধর্ষক তাসহিন সাদ ঢাকা কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ৬নং ওয়ার্ডের আমিরবাগ এলাকার বাসিন্দা মনজুর হোসেনের ছেলে।
এদিকে এ ঘটনায় ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইনে মামালা করে। এই মামলায় লম্পট তাসহিন সাদ গ্রেপ্তার হয়ে ১৫ দিন কারাবন্দি থাকার পর বিয়ে করার শর্তে জাবিনে বের হয়। জাবিনে বের হওয়ার পর লম্পট আবার নিখেঁাজ। ভুক্তভোগির পরিবার থেকে ফোনে তার সাথে যোগাযোগ করলে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ ও হুমকি প্রদান করে লম্পট তাসহিন সাদ।
ধর্ষিতা ওই নারীর স্বজনরা জানান, অভিযুক্ত ধর্ষক তাসহিন সাদ জোরপূর্বক ভুক্তভোগীর বাড়িতে ঢুকে তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর তাকে বিয়ের আশা দেয় এবং ভুক্তভোগীর পরিবারও তা মেনে নেয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় সময় তাকে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে মেয়েটির পরিবার লম্পট তাসহিন সাদকে বিয়ে করার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে বিয়ে করতে অস্বীকার করে ।
শুধু তাই নয় লম্পট (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টার সময় অজ্ঞাতনামা ৩/৪জন সন্ত্রাসী নিয়ে ভুক্তভোগী ধর্ষিতার বাড়িতে এসে হুমকি ধামকি প্রদান করে। এই ধর্ষণের ঘটনা কাউকে বললে মেরে ফেলার হুমকি দেয় বলে জানা যায়।
পরে (২৭ অক্টোবর) ভুক্তভোগী ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইনে মামলার আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে যাহার মামলা নং-৩৬১/২০২১।
এই মামলায় লম্পট তাসহিন সাদ গ্রেপ্তার হয়ে ১৫ দিন কারাবন্দি থাকার পর বিয়ে করার শর্তে জাবিনে বের হয়। জাবিনে বের হওয়ার পর লম্পট আবার নিখেঁাজ। ভুক্তভোগির পরিবার থেকে ফোনে তার সাথে যোগাযোগ করলে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ ও হুমকি প্রদান করে লম্পট তাসহিন সাদ।