শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ শনিবার | ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ফতুল্লায় জমকালো আয়োজনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ২:২১ পূর্বাহ্ণ

ফতুল্লায় জমকালো আয়োজনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

শফিকুল ইসলাম শফিক: শীত মানেই পিঠা। গ্রামীণ জনপদে শীত এলেই ঘরে ঘরে শুরু হয় পিঠার ধুম। কিন্তু ব্যস্ত শহরে এই পিঠার স্বাদ পেতে দ্বারস্থ হতে হয় পিঠার দোকানে। তাই বাঙালির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে উদয়ন একাডেমিক কেয়ারের আয়োজনে দিনব্যাপী চলে এই পিঠা উৎসব।

৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার অন্তর্গত রসুলপুর এলাকায় নোভা কমিউনিটি সেন্টারে
এ পিঠা উৎসব উদ্বোধন করেন উদয়ন একাডেমী কেয়ারের সকল শিক্ষকবৃন্দ।

পিঠা উৎসবে নানা রঙ ও ঢংয়ের বাহারি পিঠার নামের মতো দর্শনার্থীদের মন কেড়েছে স্টলগুলোর বাহারি নানাসব নামে। বিভিন্ন ফুলের নামে বিশেষ করে কেয়া, মাধবীলতা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, ক্যামেলীয়া, হাসনাহেনা, অপরাজিতাসহ নানা বাহারি নাম। উৎসবে ২০ টি স্টলে দুধ চিতই, সাগুর লস্করা, নয়নতারা, ডালের বরফি, হেয়ালি পিঠা, পাটিসাপটা, নারকেল পুলি, দুধ পুলি, তালের পিঠা, মাছ পিঠা, মালপোয়া, ঝালপোয়া, সুজির পিঠা, মাংসের সমুচা, ডিম পিঠা, মুগ পাকান, পুডিং, পায়েস, পানতোয়াসহ প্রায় ২ শত রকমের পিঠা বিক্রি ও প্রদর্শিত হয়। পিঠা উৎসবে বড়দের পাশপাশি শিশু-কিশোররাও বেশ আনন্দ উপভোগ করেছে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু করে দিনব্যাপী চলে এই পিঠা উৎসব । এসময় এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে কেউ বা আবার বন্ধুদের নিয়ে দলে দলে ভির করে পিঠা উৎসবে। ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন স্টল পরির্দশনের পাশপাশি বিভিন্ন স্টলের নানাসব বাহারি পিঠার মজা উপভোগ করেন।

পিঠার স্টলগুলোতে বিক্রিও হয় বেশ। বিশেষ করে দেশীয় পাটি সাপ্টা, সংসারী, পেয়া, দুধ-চিতই ও চিথই পিঠার পাশাপাশি হৃদয় হরণ, মন কারা, কুমারী পিঠা, বৌ-পিঠা, সাথী পিঠা নামে পিঠার বেশ কদর ছিল । বিভিন্ন এলাকা থেকে থেকে বিভিন্ন শ্রেনীর শিক্ষার্থী বৃন্দ। সৌখিন পিঠা প্রেমী নারীরা পিঠা উৎসবের স্টলে তাদের বাহারি পিঠার সমাহার নিয়ে বসেন।

উৎসবের এক প্রান্তে বসে সাংস্কৃতিক আসর। সেখানে স্থানীয় শিল্পীরা পরিবেশন করে দেশীয় নানা গান।  এক দিকে গানের সুর আর অন্য দিকে পুরোনো অনেক বন্ধুদের সাথে দেখা মেলার সাথে সাথে আনন্দে নেচে উঠে অনেকেই। পিঠা উৎসবের এ সময়টা যেন বন্ধু-বান্ধব আর প্রিয়জনদের মিলন মেলায় পরিনত হয়। অনেকে দল বেঁধে বন্ধুদের নিয়ে সেলফি তোলাতেও মেতে উঠে। আয়োজকরাও এ উৎসব প্রাণের উৎসব হওয়ায় বেশ খুশি।

আয়োজকদের মূল উদ্দ্যোক্তা হানিফ আহমেদ শান্ত, বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব যাতে হারিয়ে না যায় তাই আমরা এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এখন থেকে প্রতি বছর নিয়মিত ভাবে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হবে ইনশাআল্লাহ।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন