বুধবার, ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আজ বুধবার | ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

১১ মাস পর সবার জন্য উম্মুক্ত মসজিদে হারাম

বুধবার, ২০ জানুয়ারি ২০২১ | ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ

১১ মাস পর সবার জন্য উম্মুক্ত মসজিদে হারাম

করোনা মহামারীর কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় এগারো মাসপর নামাজের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে মসজিদে হারাম। সবার জন্য নামাজের অনুমতি থাকলেও আপাতত মাতাফে শুধুমাত্র ওমরাকারীরা যাওয়ার অনুমতি পাবেন।
এখন থেকে আর ‘ইতামারনা’ অ্যাপের ওয়াক্ত মাধ্যমে নিবন্ধন করে নামাজের অনুমতি নিতে হবে না। তবে জুমার নামাজ এবং উমরার জন্য আগের নিয়ম বহাল থাকবে। শনিবার থেকে নতুন নিয়মে নামাজের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা।
রবিবার (১৭ জানুয়ারি) মক্কায় বসবাসরত একাধিক বাংলাদেশির সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
করোনা পরিস্থিতির পর কয়েক ধাপে ওমরা চালু ও মসজিদে হারামের জামাতে অংশ নেওয়ার অনুমতি ছিলো। সর্বশেষ ১ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন ২০ হাজার মানুষকে ওমরা ও মসজিদে হারামে ৬০ হাজার মানুষ নামাজ পড়ার সুযোগ পাচ্ছিলেন।
২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মসজিদে হারামের জামাতে অংশ নেওয়ার অনুমতি ছিলো না। সাতমাস পর ইতামারনা অ্যাপসের মাধ্যমে নাম নিবন্ধন করে নামাজের অনুমিত নিতে হতো।
প্রায় এগারো মাস পর মসজিদে হারামে মুসল্লিদের আবেগী উপস্থিতি দেখা গেছে। ধীরে ধীরে মসজিদে হারাম ফিরছে আগের চেহারায়। নামাজের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও সতর্ক হারামাইন কর্তৃপক্ষ। প্রতিবার নামাজের আগে ও পরে জীবাণু মুক্তকরণ কার্যক্রম চালানো হয়। আর ওমরা পালনকারীদের জন্য এখনও ‘হাজরে আসওয়াদ’ স্পর্শ কিংবা চুম্বনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কাবা শরীফের চারপাশে বসানো অস্থায়ী প্রাচীরের বাইরে থেকেই তাওয়াফ করতে হচ্ছে।
এছাড়া ওমরা পালনকারীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা হয়েছে। কারও মধ্যে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে তাদের জন্য রাখা হয়েছে আইসোলেশন ব্যবস্থা। এসব সেবা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক দলকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আপাতত ৬ ধরনের রোগাক্রান্তদের ওমরা না করার পরামর্শ দিয়েছে। এক. যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা কম। দুই. যারা গত ছয়মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তিন. যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। চার. যাদের হৃদরোগ রয়েছে। পাঁচ. যাদের হার্টের অবস্থা দুর্বল ও যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যারা মোটা বা লিভার ডিজিজ, ক্রেনিয়াল রোগে আক্রান্ত- তারা ওমরা পালনে কিছু সময় নিতে পারেন। গর্ভবতী নারীদের ওমরা ও জিয়ারতের জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করা উচিত।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন