শুক্রবার, ২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আজ শুক্রবার | ২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

বিএনপির শিক্ষিত নেতাগুলোও উন্নয়ন দেখেন না:মাহাবুব-উল আলম হানিফ

শনিবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২১ | ২:১০ অপরাহ্ণ

বিএনপির শিক্ষিত নেতাগুলোও উন্নয়ন দেখেন না:মাহাবুব-উল আলম হানিফ

ডেস্ক রিপোর্ট:বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১২ বছরে বাংলাদেশ ঈর্ষণীয় উন্নয়ন করেছে বলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ এমপি। তিনি বলেন, সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে, খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে, শিক্ষার হার বেড়েছে, উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ৫০ বছরে মাথায় দাঁড়িয়েও এখনও ইতিহাস বিকৃত করা হয়। জাতির জন্য এটা দু:খজনক ও কলঙ্কজনক বিষয়। এতো উন্নয়ন বিএনপি-জামায়াত দেখে না। তারা উন্নয়ন বুঝে না, যড়যন্ত্র বুঝেন। বিএনপির শিক্ষিত নেতাগুলোও উন্নয়ন দেখেন না। আমি বলবো, ষড়যন্ত্র ছাড়ুন, মানুষের পাশে আসুন। সরকারের উন্নয়ন চিত্র দেখুন, তারপর কথা বলুন। মিথ্যাচার ছাড়ুন। শনিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-প্রজন্ম ঐক্যজোটের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রুহুল এমপি, বাবু পঙ্কজ দেবনাথ এমপি, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিসি প্রফেসর ড.কামাল উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শাবান মাহমুদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ। অনুষ্ঠানে মাহাবুব-উল আলম হানিফ আরও বলেন, ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার হতে বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভ করলেও পূর্নতা পায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশে ফেরার মধ্য দিয়ে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা কারো দয়ায় হয়নি, কারো বাশির হুইসেলে হয়নি। ৪৭ সালের দেশভাগের পর বঙ্গবন্ধু বুঝে ছিলেন বাংলাদেশকে শোষণ করারই পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য। যার কারণে স্বাধীনতাকামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করেছেন জাতির পিতা। পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসনে বঙ্গবন্ধু ১৪ বছর চেলে কাটিয়েছেন, শুধু স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য। সভাপতির বক্তব্যে ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে বাংলার তরুন সমাজকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালনের উদাত্ত আহবান জানান।




সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন