নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গতকাল বুধবার এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে মুঠোফোনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে পুলিশ গিয়ে মেয়েটিকে ঘটনাস্ত্থল থেকে উদ্ধার করে। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামি হলেন সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলীর উত্তরপাড়ার গ্যাসলাইন এলাকার মো. নাসির(১৯) এবং অন্য বাকি তিনজনের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় কারনে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হলো না।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ফারুক জানান, এই ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে মেয়েটির মা ওই চারজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে প্রধান আসামির পরিবার ও লোকজন টাকা দিয়ে মীমাংসার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন বলে জানা যায়। মামলার বাদী ও মেয়েটির মা
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে বুধবার বিকেলে মেয়েটি তার বাড়ির পাশে খেলতে যায়। এ সময় ওত পেতে থাকা নাসিরসহ দুজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নিজের বাড়িতে আটকে রেখে নাসির তাকে ধর্ষণ করেন। বাকি তিনজন কিশোর এতে সহায়তা করে। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকার লোকজন ৯৯৯ নম্বরে কল করলে। রাত ১১টার দিকে পুলিশ গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। এ সময় ওই চারজনকে আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সুজন তালুকদার জানান, তিনি বুধবার রাতে কদমতলী এলাকায় ডিউটিতে ছিলেন। ৯৯৯ নম্বরের তথ্যে কল পেয়ে তিনি মেয়েটিকে উদ্ধার করেন এবং ওই চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
মেয়েটির মা বলেন, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে প্রধান আসামির পরিবার ও লোকজন তাকে টাকা দিয়ে মীমাংসার জন্য চাপ দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ।এ ঘটনায় মেয়ের মা আসামিদের দ্রুত বিচার দাবি করেন