
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। মানুষকে পুড়িয়ে মারে এটা কেমন রাজনীতি হয় জানি না। আবার নতুন করে একই কাজ তারা শুরু করেছে।
বাঘে ধরলে ছাড়ে কিন্তু শেখ হাসিনা ধরলে ছাড়েন না উল্লেখ করে শামীম ওসমান বলেন, জানুয়ারীর ৭ তারিখের পর আর ছাড় নাই। যারা জনগণের বুকে পেটে লাঠি মারে, আগুন সন্ত্রাস করে তাদের শেখ হাসিনা ছাড়বেন না। যদি আমি শামীম ওসমানও হই তবুও ছাড় নাই আর তাই আমরা তাকে এতো ভালোবাসি।
বুধবার (২২ নভেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জে থানা আওয়ামী লীগের আয়োজিত শান্তি সমাবেশের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
এমপি শামীম ওসমান আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জে গতকাল ট্রেনে নাশকতার চেষ্টা করা হয়েছে। সব যায়গায় এমন করা হচ্ছে ট্রেনের বগিতে আগুন দেয়া হচ্ছে। মানুষকে আগুন দিয়ে মেরে কি লাভ হচ্ছে? আমার প্রশ্ন। লন্ডন থেকে বসে খুনি তারেক এসব করাচ্ছে। ক্ষমতার ধারের কাছেও তারা নাই। বাংলাদেশ যেন আফগানিস্তান হয় সে লক্ষ্যে এ ধরনের কাজ করছে।
যারা আগুন দিচ্ছে তাদের অভিভাবকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা তাদের মাঠে নামাচ্ছে তাদের নেতাদের নির্দেশে তারা তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে। সকলের ছবি ভিডিও ফুটেজ আছে। তাদের সাজা হয়ে যাবে। তাই তাদের অনুরোধ করছি ফিরে আসতে।
নির্বাচন সঠিক সময়ে হবে, এদিক সেদিক হবে না। নির্বাচনে বিপুল ভোটে আবারও শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবে। আমাদের ইচ্ছা ছিল মাঠে খেলার কিন্তু খেলার মাঠে কেউ নাই। এখন রাতের আধারে তারা মানুষকে পুড়িয়ে মারতে চেষ্টা করে। যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তারা তো খেলার উপযুক্ত নয়।
দ্রব্যমূল্যের সিন্ডিকেটদের নির্বাচনে জয়ের পর কঠোরভাবে শাস্তির আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনের সুযোগে একটা মহল নির্বাচনের আগে পরিকল্পিতভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বলা হয়েছিল বিচার হবে না ক্যু হয়ে যাবে সেই বিচার হয়েছে। এরপর যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে একই কথা হয়েছিল কিন্তু বিচার হয়েছি। এবার যদি জাতির পিতা আবার ক্ষমতায় আসেন আমি তো তাকে চিনি যারা মজুতদারি করে জনগণের পেটে লাথি দিয়েছেন, অতি মুনাফার লোভে দাম বাড়িয়েছেন, আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করেছেন তাদের কাউকে তিনি ছাড় দেবেন না।
আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, মৎসজীবি লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ ও তৃণমূল নেতাকর্মীসহ আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানের-স্লোগানে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে। এসময় এলাকা জুড়েও উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়।
অফিস: অফিসঃ ৪৪ ক অতীশ দীপঙ্কর রোড, মুগদা, ঢাকা
বার্তা কক্ষ: ইমেইলঃ dailynarayanganjerdak@gmail.com মোবাইলঃ ০১৬১৫৫৩৭৭৫৫
কারিগরি সহযোগিতায় ফ্লাস টেকনোলজি ওয়েব সাইট www.flashtechnology.net