নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সুলতানসাদী উচ্চবিদ্যালয় এন্ড কলেজে ১৫ আগষ্ট জাতয়ি শোক দিবসের র্যালীর ভিডিও মোবাইলে ধারণ ও পরে ওই
ভিডিও থেকে শিক্ষিকা ও ছাত্রীদের থাকা কিছু কিছু অংশ এডিট করে তাতে বিভিন্ন্ন জনের অশ্লীল ভাষার কণ্ঠস্বর সংযোজন করে ফেইজবুক ও টিকটকে আপলোড দেয়া নিয়ে হামলার ঘটনা্য় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সোলাইমান মিয়া বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায় যে, বিদ্যালয়ের অস্টম শ্রেণীর ছাত্র নৈকাহোন গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোমেন (১৪) জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগষ্টে অনুষ্ঠিত শোক র্যালীর দৃশ্য তার মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ভিডিও থেকে শিক্ষিকা ও ছাত্রীদের থাকা বিভিন্ন অংশ কেটে এডিট করে বিভিন্ন জনের কণ্ঠস্বর সংযোজন ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে তা ফেইজবুক ও টিকটকে আপলোড দেয়।
মঙ্গলবার সকালে স্কুল চলাকালিন সময়ে এ বিষয়ে স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র ও ভিডিওতে থাকা এক ছাত্রীর বড় ভাই আশ্রাফুল বিষয়টি নিয়ে মোমেনের সাথে তর্ক করলে মোমেন আশ্রাফুলকে মারপিট করে। শুধু তাই নয়, পরে মোমেনের ফোন পেয়ে নৈকাহোন গ্রাম থেকে শফিকুল,ইমন, আরিফ, শাহীনুর, সোহাগ ও সিয়াম ধারালো দা এবং লাঠিসোটা নিয়ে বিদ্যালয়ে হামলা করে। এ সময় হামলায় বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র জিসান সহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। তখন ছাত্র শিক্ষক মিলে হামলাকারীদের মধ্যে থেকে শফিকুল, ইমন ও আরিফকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সোলাইমান মিয়া জানান, বখাটেরা প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়ের আশে পাশের দোকান ও রাস্তা নিয়ে ছাত্রীদেরকে ইভটিজিং করে। তারা এলাকার স্থানীয় ও উশৃংখল বিধায় প্রতিবাদ করার কেউ সাহস পায় না।
আড়াইহাজার থানার ওসি মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদেরকে রাস্তা ঘাটে উত্যক্ত করা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অফিস: অফিসঃ ৪৪ ক অতীশ দীপঙ্কর রোড, মুগদা, ঢাকা
বার্তা কক্ষ: ইমেইলঃ dailynarayanganjerdak@gmail.com মোবাইলঃ ০১৬১৫৫৩৭৭৫৫
কারিগরি সহযোগিতায় ফ্লাস টেকনোলজি ওয়েব সাইট www.flashtechnology.net