ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বাড়ী ঘর ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করেও ক্ষ্যান্ত হয়নি প্রতিপক্ষ খালেদ মেম্বার ও তার লোকজন। প্রতিপক্ষের হুমকীর কারণে জান
মালের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে প্রায় ৩ মাস যাবত পালিয়ে বেড়াচ্ছেন নিরিহ কামরুল।
৫ জুলাই (বুধবার) সকালেও খালেদ মেম্বারের ১০/১২ জন সশস্ত্র লোক তার বাড়ীতে হানা দেয় এবং তাকে বাড়ীতে পেলে হত্যা করবে বলে হুমকী দেয় এবং খোঁজা খূঁজি করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী এলাকার কামরুল ইসলাম জানান, তিনি বিগত ইউপি নির্বাচনে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী ছিলেন। ভাগ্যক্রমে ওই ওয়ার্ডে তার
প্রতিদ্ব›দ্বী খালেদ মেম্বার জয় লাভ করেন। জয় লাভ করার পর থেকেই খালেদ মেম্বার কামরুলকে হত্যা করার জন্য বিভিন্নœ পরিকল্পনা করতে থাকেন। বিগত ১০ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে খালেদ মেম্বার সহ তার দলবল তার বাড়ীতে হামলা দিয়ে কামরুল ও তার ভাইদের প্রায় ৯টি বাড়ী ঘর ভাংচুর লুটপাট এবং একটি মোটর সাইকেলে অগ্নি সংযোগ করে। এ বিষয়ে তিনি বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করলে তা আদালতের নির্দেশে আড়াইহাজার থানায় রেকর্ড করা হয়। মামলা নং ২৮(৪)২৩।
পরে প্রতিপক্ষের লোকেরা আবারো কামরুলকে হত্যার হুমকী দিলে তিনি আদালতে ৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন এবং তখন থেকেই তিনি বাড়ী ঘরে যাতায়াত ও অবস্থান করা ছেড়ে দিয়েছেন। মামলা নংÑ ৩২২/২৩। এর পরও খালেদ মেম্বার এবং তার লোকজন ক্ষ্যান্ত হয়নি। ৫ জুলাই (বুধবার) সকালেও খালেদ মেম্বারের ১০১/১২ জন সশস্ত্র লোক তার বাড়ীতে হানা দেয় এবং তাকে বাড়ীতে পেলে হত্যা করবে বলে হুমকী দেয় এবং খোঁজা খূঁজি করে।
এ ব্যাপারে কামরুল ইসলাম জানান,প্রতিপক্ষের লোকেরা আমার বাড়ীতে অবস্থানে ভুয়া সংবাদে আমাকে হত্যা করার জন্য আমার বাড়ীতে হামলা করে। ওই সময় আমার একটি শিশু কন্যাসহ তিনটি সন্তাসী ভয়ে কাঁপতে থাকে এবং তারা খাটের নিচে গিয়ে লুকায়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ গেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে কামরুলের দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মাহমুদুল হাসান জানান, আসামীদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
অফিস: অফিসঃ ৪৪ ক অতীশ দীপঙ্কর রোড, মুগদা, ঢাকা
বার্তা কক্ষ: ইমেইলঃ dailynarayanganjerdak@gmail.com মোবাইলঃ ০১৬১৫৫৩৭৭৫৫
কারিগরি সহযোগিতায় ফ্লাস টেকনোলজি ওয়েব সাইট www.flashtechnology.net