ষ্টাফ রিপোর্টার :
ফতুল্লায় যাত্রীবেশে চালক দুলাল (১৯)কে হত্যা করে মিশুক ছিনতাইয়ের ৭’মাস পর হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ৪’জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পাশাপাশি ছিনতাই হওয়া মিশুক এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু ও সুইচ গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে দোষ স্বীকার করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্য বিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
গতকাল বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক মো: নজরুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো, সাগর ওরফে কুত্তা সাগর (২৩), জয়চাঁন ওরফে বিশাল (২৪), মো: শরীফ (২৩) ও রনি (২২)।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক নজরুল জানান, গত বছরের ১২’আগষ্ট দিবাগত রাত পৌনে ৩’টায় ফতুল্লার পূর্ব ইসদাইর আর্মি মার্কেটের পূর্ব পার্শ্বে জনৈক আব্দুল হাকিমের বাড়ির গেইটের সামনে রাস্তার উপর অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারীরা মিশুক চালক দুলালকে হত্যা করে তার মিশুকটি ছিনতাই করে নিয়ে চলে যায়।
এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। মামলা নং-৩৮, তাং-১২/০৮/২২ইং, ধারা: ৩৯৪/৩০২ পেনাল কোড। মামলাটি চার মাস ফতুল্লা থানায় তদন্তাধীন থাকার পর হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স এর মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ পিবিআইকে গত বছরের ১২’ডিসেম্বর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম পিপিএম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিশ্বস্থ সোর্স এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মামলায় জড়িত আসামীদের সনাক্ত এবং গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে আসামীরা উল্লেখ করে যে, ধারালো সুইচ গিয়ার/চাকু দিয়ে ভিকটিম দুলালের গলায়, মাথায় ও হাতে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করত: রাস্তায় ফেলে দিয়ে মিশুক (অটোরিক্সা) নিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে আসামীরা মিশুকটি ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা বিক্রি ভাগ-ভাটোয়ারা করে নেয়।
অফিস: অফিসঃ ৪৪ ক অতীশ দীপঙ্কর রোড, মুগদা, ঢাকা
বার্তা কক্ষ: ইমেইলঃ dailynarayanganjerdak@gmail.com মোবাইলঃ ০১৬১৫৫৩৭৭৫৫
কারিগরি সহযোগিতায় ফ্লাস টেকনোলজি ওয়েব সাইট www.flashtechnology.net