খুন হয়েছেন মা ও ছেলে দু’জনেই। কী ভাবে তাঁদের খুন করা হয়েছে তা-ও স্পষ্ট। কিন্তু খুনের কারণ কী? ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পরেও এই প্রশ্নের উত্তর হাতড়াচ্ছে পুলিশ । রোববার ভোরে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের উজান গোবিন্দি এলাকা থেকে রাজিয়া সুলতানা কাকলী ও তার আট বছরের ছেলে তালহার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মাকে একটি ও ছেলেকে পরপর তিনটি আঘাত করে। আলামত হিসেবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বঁটি দা, তালা, রক্ত ইত্যাদি জব্দ করা হয়েছে।
আড়াইহাজার থানার ওসি আজিজুল হক হাওলাদার জানান, হত্যাকাণ্ডের ধরন দেখে মনে হচ্ছে অপরাধী পূর্ব পরিচিত। সম্পদ নিয়ে বিরোধ, দেনা-পাওনা টাকা কিংবা পরকীয়া এ তিনটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে। সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের মর্গে থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছ হস্তান্তর করা হয়েছে। সন্ধা ৭টার দিকে জানাযা শেষে দিকে পাঁচগাও নিহত কাকলী পৈত্রিক বাড়ির তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এই ঘটনায় সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। তবে পুলিশ জানায়, খুনিরা পরিচিত মুখ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দশ বছর আগে উজান গোবিন্দি পশ্চিম পাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আব্দুল আউয়ালের সঙ্গে রাজিয়া সুলতানা কাকলীর বিয়ে হয়। পাঁচ বছর আগে হঠাৎ ভগ্নিপতি আউয়াল ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। টিনশেড বিল্ডিংয়ে ছেলে তালহাকে নিয়ে স্বামীর ভিটায় থেকে যান রাজিয়া। কাকলী তার ছেলে তালহাকে মনোহরদী কিন্ডার গার্টেনে নিজেই আনা নেয়া করতেন। চার বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে কাকলী ছিলো তৃতীয়। ছোট বোন ফারহানা সুলতানা তিথি তাকে শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে নিজের কাছে চলে আসার কথা বললেও স্বামীর ভিটা ছাড়তে তিনি রাজি হননি।
অফিস: অফিসঃ ৪৪ ক অতীশ দীপঙ্কর রোড, মুগদা, ঢাকা
বার্তা কক্ষ: ইমেইলঃ dailynarayanganjerdak@gmail.com মোবাইলঃ ০১৬১৫৫৩৭৭৫৫
কারিগরি সহযোগিতায় ফ্লাস টেকনোলজি ওয়েব সাইট www.flashtechnology.net