সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:অবশেষে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পাইনাদি প্রিকেডেট এন্ড হাই স্কুলের ৯জন নারী শিক্ষার্থীর আগামী ১৯ জুনের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করলেন কাউন্সিলর হাজী আনোয়ার ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত নয়টায় মুঠোফোনে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজী আনোয়ার ইসলাম।তিনি বলেন, প্রথমে যখন আমি জানতে পারি ওই স্কুলের নয় জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পরবে না। তখন বিষয়টি নিয়ে আমিও চিন্তিত হয়ে পরি। পরবর্তীতে গত মঙ্গলবার ওই শিক্ষার্থীদের ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে ডিসি অফিসে যোগাযোগ করি। সেখান থেকে কোন রেজাল্ট না পেয়ে পরদিন তাদেরকে নিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড অফিসে যোগাযোগ করি। সকলের দোয়ায় শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সহযোগীতায় বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য প্রবেশ পত্র পায়। আগামী ১৯জুন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে যাচ্ছে ভুক্তভোগী ওই নয় জন নারী শিক্ষার্থী। তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে অনেক খুঁশি। তাদের চোখে মুখে আনন্দের ছাপ দেখা গেছে। পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীরা স্থানীয় কাউন্সিলর হাজী আনোয়ার ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।এদিকে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পরবে না শুনে আমার মেয়ে মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েন। আমরাও চিন্তিত হয়ে পরি। পরবর্তীতে কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলামের সহযোগীতায় আমার মেয়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পারছে। এতে আমি অনেক খুশি। তবে কর্তৃপক্ষের এমন গাফিলতির কারনে ভবিষ্যতে আর যেন কোন ছেলে-মেয়েকে এই পরিস্থিতির স্বীকার হতে না হয়।
উল্লেখ্যে, গত সোমবার ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলে গিয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করতে এসে জানতে পারে তারা পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পারবে না। এ খবর শুনে ওই শিক্ষার্থীরা মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। পরবর্তীতে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা নারায়ণগঞ্জ প্রস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করেন। জানা গেছে, স্কুলটি হাই স্কুল নামে পরিচিত হলেও তার নিবন্ধন নেই। অনুমোদহীন এই স্কুলের নাম ব্যবহার করে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া হয় অন্য স্কুলের নামে। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের স্কুলের নামে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে অন্য স্কুলের নামে তারা এসএসসি পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহন করান। এই স্কুলের বিরুদ্ধে রয়েছে শিক্ষার্থীদের নানা অভিযোগ। তবে ওই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক খলিলুর রহমানের গাফিলতির কারনেই এতো বড় একটি দূর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা।##
অফিস: অফিসঃ ৪৪ ক অতীশ দীপঙ্কর রোড, মুগদা, ঢাকা
বার্তা কক্ষ: ইমেইলঃ dailynarayanganjerdak@gmail.com মোবাইলঃ ০১৬১৫৫৩৭৭৫৫
কারিগরি সহযোগিতায় ফ্লাস টেকনোলজি ওয়েব সাইট www.flashtechnology.net